রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় খাদ্য গুদামসহ তিন ডিলারের দোকানে অভিযান চালিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হামিদুল ইসলাম। যে কারণে ভেঙ্গে গেছে চাল ক্রয় সিন্ডিকেট।
সূত্রে জানা গেছে, আগামী তিন মাসের জন্য বৃহস্পতিবার সকালে জেলার বাঘায় ১০ টাকা কেজি দরে ৬৯৩ টন ৯০ কেজি চাল বিক্রির অনুমোদন আসে। এ জন্য উপজেলার সাত ইউনিয়নে ১৪ জন ডিলার পূর্ব থেকে নিযোগ দেয়া রয়েছে। যারা সপ্তাহে তিনদিন শুক্র, শনি এবং মঙ্গলবার হতদরিদ্রদের মাঝে চাল বিক্রি করবেন। এ জন্য ডিলাররা পাবে প্রতি কেজি চালে দেড় টাকা।
অভিযোগ রয়েছে, চাল বিক্রির খবর পেয়ে বাঘা পৌর আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতাসহ গোডাউন সংলগ্ন উপজেলা কৃষকলীগের আরেক প্রভাবশালী এবং থানা আওয়ামী লীগের এক ক্ষমতাধর মুহূর্তের মধ্যে সিন্ডিকেট করে এবং ডিলারদের কাছে অর্ধেক পরিমাণ চালের ভাগ চেয়ে বসেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে চাল উত্তোলন বন্ধ রাখে ডিলাররা। এদের মধ্যে দুই/একজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে মৌখিক অভিযোগও করেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হামিদুল ইসলাম বিষয়টি আমলে নেন। এবং তিনজন ডিলার বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাদের চাল উত্তোলন করতে পারেন। এরা হলেন, উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের- ডিলার মেহেদী মামুন ও আব্দুল গনি এবং গড়গড়ি ইউনিয়নের আব্দুল মান্নান। পরে রাতে নির্বাহী কর্মকর্তা সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে খাদ্য গোডাউনের প্রকল্পকৃত চালের স্টক মিলিয়ে দেখাসহ ডিলাররা চাল সরিয়ে রেখেছেন কি না-তার তল্লাশি চালান। তবে ওই তল্লাশিতে কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, শনিবার থেকে এ উপজেলায় ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি শুরু হবে।
ইত্তেফাক/এএসএমইউ