ভূঞাপুর-টাঙ্গাইল-তারাকান্দি সড়কে যান চলাচল বন্ধ

ভূঞাপুর-টাঙ্গাইল ও তারাকান্দি সড়কে সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। যে কারণে তিনদিন ধরে কোনো প্রকার যানবাহন চলাচল না করায় ভোগান্তিতে পড়েছে যাত্রী সাধারনসহ স্থানীয় লোকজন।
 
বৃহস্পতিবার থেকে সেতু সংস্কারের কাজ শুরু করায় ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
 
এদিকে সড়ক বন্ধ থাকায় ২০ কিলোমিটার ঘুরে বিকল্প সড়ক ব্যবহার করে যাতায়াত করছে হচ্ছে যানবাহনগুলোকে। তারাকান্দি-ভূঞাপুর-টাঙ্গাইল সড়কের সয়া নামক সেতুর সংস্কার কাজ শুরু হওয়ায় এমন বিড়ম্বনার সৃষ্টি হয়েছে।
 
তবে টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগ জানিয়েছে, সংস্কার কাজ শেষে রবিবার সয়া সেতুটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে।
 
জানা গেছে, ভূঞাপুর-টাঙ্গাইল ও তারাকান্দি সড়কের এলেঙ্গ হতে ভূঞাপুর পর্যন্ত নয়টি সেতু ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে কয়েক বছর আগে সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছিল টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগ। এরপর থেকে ওই ঝুঁকিপূর্ণ সেতুগুলো নিয়ে দৈনিক ইত্তেফাকসহ অন্যান্য পত্রিকা ও টেলিভিশনে সংবাদ প্রচার হয়। এর ফলশ্রুতিতে কর্তৃপক্ষ কয়েক দফায় কয়েকটি সেতুতে খানাখন্দ ভরাট ও সংস্কার কাজ করে। এর ধারাবাহিকতায় সয়া সেতুটি বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় গত বৃহস্পতিবার থেকে ওই সড়কে সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রেখে সংস্কার শুরু করা হয়।
 
যানবাহন চালক ও সড়ক দিয়ে চলাচলকারীদের অভিযোগ, এ সড়ক দিয়ে যান চলাচল বন্ধ থাকার খবরটি আগেই দেয়া হলে মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হতো না। এখন ২০ কিলোমিটার ঘুরে বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক হয়ে গন্তব্যস্থলে যেতে হচ্ছে।
 
টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশ আব্দুল হাকিম বলেন, ‘দুর্ঘটনা রোধে প্রাথমিকভাবে সেতুটির সংস্কার কাজ করা হচ্ছে। রবিবার সংস্কার শেষ হলে সেতুটি যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে। অন্যথায় কাজ শেষ করতে না পারলে সোমবার পর্যন্ত যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। সড়কটিতে নয়টি ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর স্থায়ী কাজ শুরু হবে কবে নাগাদ জানতে চাইলে তিনি ইত্তেফাককে বলেন, ডেভোলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপজাল (ডিপিপি) তৈরি করে সড়ক ও জনপথ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। পরে সেটি সেতু মন্ত্রণালয় হয়ে ধাপে ধাপে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ে কাজ শেষ হয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) বিল পাস হলে সেতু সংস্কারে স্থায়ী কাজ শুরু করা যাবে।’
 
ইত্তেফাক/এএসএমইউ