শতাধিক বছরের রমেজা বেগমের বয়স্ক ভাতার কার্ড এখনো হয়নি। কোনো মেম্বার-চেয়ারম্যান খোঁজ নেয়নি। ঘটনাটি ঘটেছে শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের হাজার বিঘী গ্রামে। শুক্রবার দুপুরে সরজমিনে গিয়ে কথা হয় রমেজা বেগমের সাথে। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার বয়স ১০৭ বছর হলেও তার পরিবারেরর দাবি তার বয়স ১২৫ বছর। রমেজা বেগম স্পষ্ট করে কথা বলতে না পারলেও পুত্রবধূ রেজিয়ার সহায়তায় কিছু কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন।
প্রায় ১০/১২ বছর বয়সে হাজার বিঘী গ্রামের মৃত আব্দুল হাকিমের সাথে রমেজার বিয়ে হয়। দুই ছেলে ও এক কন্যা জন্মগ্রহণ করার পরপরই তার স্বামী আব্দুল হাকিম ১৯৬৩ সালে মারা যান। সে ভালোভাবে চলাফেরা করতে পারেন না।
রমেজা বেগমের ছেলে মোখলেসুর রহমান জানান, এ পর্যন্ত কোনো মেম্বার-চেয়ারম্যানরা খোঁজ-খবর নেননি।
এলাকার দোকানদার নজরুল ইসলাম, শিক্ষক তোসির উদ্দিন ও আওয়ামী লীগ নেতা খাদেমুল ইসলাম জানান, শুধু শাহাবাজপুরেই নয়, বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে রমেজা বেগমের সমবয়সী আর কেউ নেই। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রমেজা বেগমের বয়স্ক ভাতার কার্ড হওয়া উচিত ছিল।
শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হক জানান, আমার জানা ছিল না। সুযোগ আসলে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিব এবং আমি ব্যক্তিগতভাবে বৃদ্ধার সাথে দেখা করবো।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা কাঞ্চন কুমার জানান, ঘটনাটি আমার জানা ছিল না। স্থানীয় মেম্বার-চেয়ারম্যান তার নাম তালিকাভুক্ত না করায় বয়স্ক ভাতার কার্ড হয়নি। তবে জরুরি ভিত্তিতে আমি তার বয়স্ক ভাতার কার্ড তৈরির ব্যবস্থা নিব।
ইত্তেফাক/এএন