খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে চাল বিতরণে অনিয়ম-দুর্নীতি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম।
রবিবার রাজধানীর খাদ্যভবনে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ডিসি ফুড) ও আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকদের (আরসি ফুড) সঙ্গে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা বিষয়ে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এটি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একটি নিজস্ব কর্মসূচি। প্রধানমন্ত্রী নিজে গত ৭ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারীতে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি চলবে না।
সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রণয়নের ক্ষেত্রে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি বা রাজনৈতিক বিবেচেনায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির তালিকা তৈরির কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত বাস্তবায়িত সব কর্মসূচির মধ্যে সবচেয়ে সফল কর্মসূচি হিসেবে এটাকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। মন্ত্রী বলেন, প্রথম কোনো কর্মসূচি চালু করতে গেলে একটু ত্রুটিবিচ্যুতি হতে পারে। এজন্য অনেকে সমালোচনা করে থাকেন। তবে প্রকল্পটি যদি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা যায় তবে সমালোচকদের মুখ বন্ধ হবে।
এ সময় খাদ্য সচিব এএম বদরুদ্দোজাসহ বিভিন্ন জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় দেশের ৫০ লাখ হতদরিদ্র পরিবারকে ১০ টাকা দরে মাসে ৩০ কেজি চাল দিচ্ছে সরকার। বছরের মার্চ, এপ্রিল, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বরে পাঁচ মাস খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চলবে।
ইত্তেফাক/এমআই