আশাশুনি থানার ওসির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

সাতক্ষীরার আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রহমানের বিরুদ্ধে এবার চাঁদা না দেয়ায় এক মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের মামলায় জড়িয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।
 
সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের শাহনগর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা শাহ গোলাম ইদ্রিসের ছেলে ও জেলা আওয়ামী যুব স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ন আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মন্টু এই অভিযোগ করেন।
 
এ সময় লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, নানার বাড়ির ফারায়েজ সম্পত্তি দখলকে কেন্দ্র করে আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রহমান তার কাছে দুই দফায় এক লাখ চল্লিশ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে তিনি ওই জমিতে তাদের উঠতে দেবেন না বলে হুমকি দেন। পরে দাবিকৃত চাঁদা না দেয়ায় গত ২০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় ওসি গোলাম রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মিজানুর রহমান মন্টুর বাড়িতে যান। এবং বাক্বিতণ্ডার এক পর্যায়ে তার মা ও স্ত্রীকে গলা ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন ওসি। এ সময় এএসআই রিয়াজ আহমেদ তার বড় ছেলে মাহিম শাহকে মারধর করেন।
 
কনস্টেবল জাহাঙ্গীর ও মিজান তার ছোট ছেলে ফাহিম শাহকে লাথি মেরে খাটের উপর থেকে ফেলে দেন। একই সময়ে ওসির নেতৃত্বে পুলিশের সদস্যরা ঘরের তোশকের নিচ থেকে ৭৬ হাজার টাকা, মোটর সাইকেল, দুটি স্বর্ণের কানের দুল, তিনটি স্বর্ণের চেইন ও দুটি হাতের রুলি লুট করে নিয়ে যান।
 
এরপরও ক্ষান্ত হননি ওসি। তিনি মিজানুর রহমান মন্টুকে অন্যের দায়ের করা একটি অপহরণ ও একটি চাঁদাবাজির মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করছেন।
 
সংবাদ সম্মেলনে তিনি তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও আশাশুনি থানার ওসিকে বহিষ্কারের দাবি জানান।
 
ইত্তেফাক/এএসএমইউ