মুন্সীগঞ্জে শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। বুধবার রাতে ফেরি সার্ভিস বন্ধ হয়ে যায়।
বুধবার বিকেলে রো রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন পদ্মার লৌহজং টানিং পয়েন্টের মুখে ডুবোচরে আটকে যায়। ফেরিটি আটকে থাকায় শিমুলিয়াগামী আরো চারটি ফেরি ওই ফেরিটির কাছে নদীতে ভাসছে। চ্যানেল সংকচিত হয়ে পড়ায় ফেরিগুলো চলতে পারছে না। ফেরি উদ্ধারের চেষ্টা করেও সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ এটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এখন জোয়ারের পানির অপেক্ষা করা হচ্ছে। এ ছাড়া সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ফেরি রানীক্ষেত চ্যানেলটি পার হতে গিয়ে ডুবোচরে আটকা পড়ে। ফলে রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
বিআইডব্লিউটিসির মেরিন অফিসার মো. শাহজাহান খান জানান, পদ্মায় পানি কমে যাওয়ায় নদীতে নাব্য সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ফেরিগুলো ঠিকমত চলতে পারছে না। মাঝে মাঝে ডুবোচরে আটকে যাচ্ছে। বুধবার বিকেলে রো রো ফেরি রুহুল আমিন আটকে গেলে ফেরিটি উদ্ধারে টাগবোট ব্যবহার করা হলেও এটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এখন জোয়ারের পানির অপেক্ষায় আছি। রাত ১২টার দিকে জোয়ারের পানি বাড়লে এটি টাগবোট দিয়ে টেনে সরিয়ে নেয়া হবে।
বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের এজিএম শাহ খালেদ নেওয়াজ জানান, শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে নাব্য সঙ্কটে ফেরি চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। এই রুটের লৌহজং টার্নিংয়ে নাব্য সঙ্কট এবং চ্যানেল সরু হওয়ায় ফেরি স্বাভাবিকভাবে চলতে পারছে না।
বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী (ড্রেজিং) মো. সুলতান উদ্দিন আহমেদ খান জানান, বিআইডব্লিউটিসি নিজেদের ব্যর্থতা আমাদের ওপর চাপানোর চেষ্টা করছে। চ্যানেলের মধ্যে কোন নাব্য সঙ্কট নেই।
ইত্তেফাক/ইউবি