বাংলাদেশের শিশুদের উন্নয়নে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নয়ন হলেও লক্ষ্য অর্জনে পিছিয়ে আছে বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে বিজ্ঞজন। তারা বলেন, শিশু নির্যাতনের ক্ষেত্রে অভিনব পন্থা অবলম্বন করা হচ্ছে। শিশুরা কর্মক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমনকি বাড়িতে নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। এই অবস্থা পরিবর্তনে সরকারের সঙ্গে উন্নয়ন সংস্থার সম্মিলিতভাবে কাজ করার তাগিদ দেন তারা।
গতকাল বুধবার বংলাদেশ শিশু একাডেমিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের শিশু : প্রতিশ্রুতি ও অগ্রগতি ২০১৫’প্রতিবেদনের মোড়ক উন্মোচনকালে এ তাগিদ দেন তারা। ১০টি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত চাইল্ড রাইটস অ্যাডভোকেসি কোয়ালিশন ইন বাংলাদেশ এই প্রতিবেদনের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক, বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসিমা বেগম, উদ্বোধনী বক্তব্য দেন সেভ দ্যা চিলড্রেনের পলিসি রাইটস এন্ড গভর্ন্যান্স পরিচালক হাগার রাস,আরো বক্তব্য দেন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক নূর খান,এডুকোয়ের প্রতিনিধি এসএম রশিদ,প্ল্যান ইন্টারন্যাশনালের চাইল্ড রাইটস এন্ড প্রেটেকশন হেড তানিয়া নূসরাত জামান , অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ওয়ার্ল্ড ভিশনের পরিচালক চন্দন গোমেজ।
চাইল্ড রাইটস অ্যাডভোকেসি কোয়ালিশন ইন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানান হয়, দেশে ৬ কোটি শিশুর স্বাস্থ্য শিক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা, সুশাসন, স্বাভাবিক পরিস্থিতির উপর ২০১৩ সাল থেকে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। ২০১৫ সালের প্রতিবেদনে দেখা যায়, সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও তা বাস্তবায়নে পিছিয়ে। সরকারের উচিত শিশু অধিকার রক্ষায় বাজেটে অন্তর্ভূক্ত করে কাজ করার উদ্যোগ নেওয়া। শিশুদের অধিকার সুরক্ষায় আলাদা অধিদপ্তর করা জরুরি বলেও তারা জানান। পাশাপাশি অধিকার রক্ষায় শিশুদের জন্য আলাদা কমিশন ও প্রয়োজন। সরকারে উচিত প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে কাজ করতে গিয়ে সৃষ্ট শিশু নির্যাতন বন্ধে গণসচেতনতা প্রচারণা বৃদ্ধি করা।
ইত্তেফাক/এএন