বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার ২৮৬ নং পশ্চিম জিউধরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা। সংস্কারের অভাবে দীর্ঘদিন যাবত্ দৈন্যদশায় পড়ে আছে ভবনটি। রয়েছে আসবাবপত্রের সমস্যাও।
জানা যায়, ১৯৯০ সালে এ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছরে ৫ লাখ ৯ হাজার টাকা ব্যয়ে বিদ্যালয় ভবন নির্মিত হয়। কিন্তু ত্রুটিপূর্ণ নির্মাণের কারণে কয়েক বছর যেতে না যেতেই ভবনটির পলেস্তারা খসে পড়তে থাকে। ল্যাট্রিন বাথরুম অনেক আগেই ব্যবহার অনুপোযোগী হয়ে পড়ে আছে। অত্র বিদ্যালয়ে ২৭৬ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থী রয়েছে ২৪২ জন। একদিকে যেমন বিদ্যালয়টি ঝুঁকিপূর্ণ অপরদিকে রয়েছে বেঞ্চ আসবাবপত্রসহ পয়ঃনিষ্কাশনের সমস্যা। ১ম, ৩য় ও ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এ ভবনে ক্লাস করে। একটি রুম ব্যবহারের অনুপোযোগী। সে রুমটিতে বিদ্যালয়ের অস্থায়ীভাবে নিয়োগকৃত একজন শিক্ষক বসবাস করেন। এ বিদ্যালয়ে প্রাঙ্গণে অপর একটি ভবন রয়েছে, যা সাইক্লোন সেল্টার কাম বিদ্যালয় হিসেবে ব্যবহূত হচ্ছে। যেখানে বিদ্যালয়ের অফিসরুমসহ প্রাক-প্রাথমিক, ২য় ও ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ক্লাস করে। এটি ২০০৭-২০০৮ অর্থ বছরে এলজিআরডি’র বাস্তবায়নে ৩১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়।
প্রধান শিক্ষিকা খাজিন্তা আকতার জানান, এ ভবনের ফ্লোরের প্লাষ্টার উঠে গেছে। স্লিপের ৪০ হাজার টাকা দিয়ে ফ্লোরের কাজ করানো হয়েছে। তাছাড়াও বিদ্যালয়টি বাজার সংলগ্ন হওয়ায় বাউন্ডারি দেওয়াল প্রয়োজন। শিক্ষিকা শাহনাজ সুলতানা, আকলিমা খানম জানান, নতুন ভবনে শিক্ষার্থীদের স্থান সংকুলান না হওয়ায় পুরাতন ভবনে শিক্ষার্থীদের ক্লাস করাতে হচ্ছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আনিছুর রহমান বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ সকল প্রতিষ্ঠানের তালিকা দেয়া হয়েছে।
ইত্তেফাক/এএন