বগুড়ায় ৩ ডাকাতসহ গ্রেফতার ৬, মালামাল উদ্ধার

বগুড়ার কাহালু উপজেলায় দুই নৈশ প্রহরীকে হত্যা করে ডাকাতি ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম চুরির মামলায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের তিন সদস্যসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 
 
বুধবার রাতে বগুড়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় ডাকাতি করা বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়। 
 
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য বগুড়ার গাবতলী থানার কদমতলী গ্রামের মৃত-আব্দুস সামাদের ছেলে সেলিম (২০), বগুড়া সদর থানার ছয়পুকুরিয়া গ্রামের নায়েব আলীর ছেলে বাবুল প্রাং (৪৫), কাহালু থানার শান্তা গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে আছির, বগুড়া শহরের চকসূত্রাপুর হাড্ডিপট্রির এসএম এন্টারপ্রাইজের মালিক সৈয়দ আবুল কালাম আজাদের ছেলে এসএ মোরশেদ ওরফে তুলিপ (৪৫) ও তার ভাই রেদওয়ানুল মোরশেদ ওরফে রাহাদ (৩৩) এবং বগুড়া শহরের কালিতলা উত্তর কাটনারপাড়ার মৃত মজহারুল হকের ছেলে মাসুদুল হক জিবু। 
 
বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান তার কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনে জানান, ২৬ আগস্ট বগুড়ার কাহালু উপজেলার পোড়াপাড়া বিমানবন্দর এলাকার পমসার্স এ রহমান মেটাল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপের নাইট গার্ড আব্দুল জোব্বারকে (৫৫) হত্যা করে ডাকাতদল। পরে তারা ওই ওয়ার্কসপ থেকে ৭টি বৈদ্যুতিক মোটর, একটি সাব-মার্সিবল পাম্প, একটি ওয়েল্ডিং মেশিন, একটি জেনারেটর, সিসি ক্যামেরা, তিনটি অ্যালুমিনিয়ামের ডাইস, একটি স্ট্যান্ডফ্যান, ব্যাংকের চেকবই লুট করে। 
 
এ ছাড়া একই উপজেলায় গত ৯ সেপ্টেম্বর পাবহারা গ্রামে  অপর এক নৈশ প্রহরী আবুল কালাম খুন হয়। এই দুটি ঘটনায় আন্তঃজেলা দুটি ডাকাতদলের সদস্যরা জড়িত বলে জানা যায়। 
 
এ নিয়ে পরে তদন্ত করে ডাকাতির মামলায় প্রথমে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার কদমতলি গ্রামের সেলিমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে ডাকাত দলের আরো ২ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। তারা পুলিশের কাছে ডাকাতি ও দুই নৈশ প্রহরীকে হত্যার কথা স্বীকার করে।  
 
তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী শহরের মেরিনা মার্কেট থেকে ডাকাতির লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার ও ডাকাতির মালামাল ক্রেতা ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
 
 
ইত্তেফাক/ইউবি