রায়পুর থানা পুলিশের হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেল জেলার রায়পুর উপজেলার বামনী ইউনিয়নের স্কুলছাত্রী মরজিনা আক্তার (১৪)। মরজিনা একই ইউনিয়নের সাগরদি গ্রামের দুলা মিয়া মুলোবী বাড়ির মিজানুর রহমানের মেয়ে। সে স্থানীয় সাগরদি কেএসপি উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে পড়ে। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে বিয়েটি বন্ধ করে পুলিশ।
স্থানীয় চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন ও স্থানীয়রা জানান, বামনী ইউনিয়নের সাগরদি গ্রামের মিজানুর রহমানের মেয়ে মরজিনার সঙ্গে পার্শ্বপর্তী রামগঞ্জ উপজেলার নুরুল হক ছেলে আবু নাছের মোহাম্মদ মেহেদি হাসান (৩০) বিয়ে ঠিক হয়। মেহেদি পেশায় ব্যবসায়ী। শুক্রবার দুপুরে বিয়ের অনুষ্ঠিত হবে এমন খবর পেয়ে এলাকাবাসী পুলিশকে জানালে সকালে পাত্রীর বাড়িতে পুলিশের এসআই শাহাজান গিয়ে বিয়েটি বন্ধ করে দেয়।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন জানান, মেয়ের পরিবার বয়স সম্পর্কিত কোনো সনদ দেখাতে পারেনি। পরে তারা উভয়পক্ষকে বাল্যবিবাহের কুফল ও শাস্তি সম্পর্কে বুঝিয়ে বলে। এর ফলে মেয়েটি প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত তার বাবা ও মা তাকে বিয়ে দেবেন না বলে কথা দেন।