অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেছেন, বাংলাদেশের সংবিধান প্রণেতাদের অন্যতম ব্যক্তিত্ব মরহুম এম. আব্দুর রহিম দেশ এবং জাতির জন্যে নিজেকে আমৃত্যু উৎসর্গ করেছিলেন। ৫২’র ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে মরহুম রহিমের ভূমিকা চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, তিনি একজন সফল রাজনীতিবিদই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন সফল পিতা। তার মত সফল পিতাকে অনুসরণ করে আগামীতে বাংলাদেশে সুন্দর সন্তানদের বেড়ে উঠার অনুপ্রেরণা হতে পারে এম আব্দুর রহিম।
শুক্রবার বিকেলে দিনাজপুর ইন্সটিটিউট প্রাঙ্গণে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর ভাষা সৈনিক মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম এম আব্দুর রহিম অ্যাড. এর নাগরিক শোক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম এ কথা বলেন।
নাগরিক শোক সভা কমিটির আহ্বায়ক মির্জা আনোয়ারুল ইসলাম তানু’র সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যাড. ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকী, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর রুহুল আমীন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, বাংলাদেশ অর্থোপেডিক সোসাইটির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম আমজাদ হোসেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিম, নাগরিক শোকসভা কমিটির সদস্য সচিব আব্দুস সামাদ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অজয় রায়, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইমাম চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলম, পুলিশ সুপার হামিদুল আলম, প্রবীণ অ্যাডভোকেট এম এ ইসাহাক প্রমুখ। মরহুমের পুত্র জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালূর রহিম এমপি দর্শক সারিতে ছিলেন।
অ্যাড. ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন বলেন, তিনি ছিলেন সাধারণ মানুষের নেতা। তার সান্নিধ্যে এসে অনেকেই দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছে।
অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকী বলেন, একজন মানুষ কতটা জনপ্রিয় হতে পারে, তার উদাহরণ মরহুম এম আব্দুর রহিম। বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচার্যে থেকে দেশের সার্বিক কল্যাণে নিজেকে আত্মনিয়োগ করে গেছেন এই জননেতা।
ইত্তেফাক/এমআই