হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মহানগরী ও জেলার সকল উপজেলায় উদযাপিত হচ্ছে।
পূজা, আরতি, চণ্ডীপাঠ, প্রসাদ বিতরণ, কীর্তন ও ভজনের মধ্য দিয়ে শনিবার এই উৎসব উদযাপিত হয়। দেবী দুর্গাকে দেখতে গভীর আগ্রহ নিয়ে বিপুলসংখ্যক ভক্ত বিভিন্ন পূজা মণ্ডপে ভিড় জমায়।
জেলা প্রশাসন ও পূজা উদযাপন পরিষদ কমিটি সূত্র জানায়, এ বছর শহরে ১১৪টি পূজা মণ্ডপ এবং জেলার অন্যান্য স্থানে ৮০৪টি পূজা মণ্ডপ স্থাপিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন এ বছর দুর্গাপূজা উদযাপনের জন্য মোট ৪৫৯ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করেছে। মঙ্গলবার বিজয়া দশমীতে দেবী বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের পূজা উদযাপন।
সংসদ সদস্য বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, তালুকদার আব্দুল খালেক, মিজানুর রহমান মিজান, এসএম মোস্তফা রশিদী সুজা, পঞ্চানন বিশ্বাস, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র আনিসুর রহমান বিশ্বাস, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুস সামাদ, খুলনার পুলিশ কমিশনার নিবাস চন্দ্র মাঝি, ডিআইজি এসএম মনিরুজ্জামান, ডিসি নাজমুল আহসান এবং আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতা কর্মীরা আজ মহানগরী ও জেলার বিভিন্ন স্থানে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
কর্তৃপক্ষ পূজা মণ্ডপগুলোতে রাতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছেন। তাছাড়া যে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপও গ্রহণ করা হয়েছে বলেও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান। -বাসস।
ইত্তেফাক/এসএস