নীলফামারী-জলঢাকা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন

জলঢাকা-নীলফামারী ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ ১২ ফুট প্রস্থের সড়কটিকে ১৮ ফুট প্রস্থে উন্নীত করা হচ্ছে। সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওয়াতায় আজ রবিবার সকাল  সাড়ে ১১ টায় এই প্রকল্পের কাজের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ধোধন করেছেন নীলফামারী-২(সদর) আসনের সংসদ সদস্য সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর। জলঢাকা উপজেলার পেট্রোল পাম্প মোড় নামকস্থানে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে মন্ত্রী এই কাজের শুভ উদ্ধোধন করেন।
 
উদ্ধোধনীস্থলে এক সংক্ষিপ্ত জনসভায় মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুর বলেন, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন একের পর এক ঘটে চলেছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু একটি মহল শেখ হাসিনার এই ধারাবাহিতার উন্নয়নকে নস্যাৎ করতে নীলনকশার পরিকল্পনা করছে। বিরোধীচক্রের সরকার বিরোধী নীলনকশার পরিকল্পনা প্রতিহত করতে আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীদের ভেদাভেদ ভুলে এক কাতারে থেকে প্রতিহত করার আহ্বান জানান। 
 
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নের ধারাবাকিতকায় আজ নীলফামারী-জলঢাকা সড়কটির উন্নতীকরণের কাজ শুরু হলো। এই কাজে কেউ অনিয়ম করার চেষ্টা করবেন না। অনিয়ম করার চেষ্টা করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।
 
নীলফামারী সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম হামিদুর রহমানের সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য রাখেন নীলফামারী ৩ (জলঢাকা আংশিক কিশোরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য ও শিক্ষা বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা। 
 
অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ, সহ-সভাপতি দীপেন্দ্র নাথ সরকার দীপু বাবু, সাধারণ সম্পাদক মমতাজুল হক, জেলা সদর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুজার রহমান, নারী ভাইস চেয়ারম্যান আরিফা সুলতানা লাভলী, নীলফামারী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মোসফিকুর ইসলাম রিন্টু, জলঢাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনসার আলী মিন্টু, সাধারণ সম্পাদ সহীদ হোসেন রুবেল সহ জলঢাকা আওয়ামী লীগ ও তার সকল অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।
 
নীলফামারী সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মনিরুজ্জামান জানান, ২২ কিলোমিটার দৈর্ঘের এ সড়কে ১১কিলোমিটার করে দুইজন ঠিকাদার ও চারটি সেতু নির্মাণের জন্য একজন ঠিকাদার কাজ করবে। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৬ কোটি ৩৩ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।
 
তিনি আরো জানান, সড়ক সম্প্রসারণে দুইটি গ্রুপের মধ্যে একটি গ্রুপের ১১ কিলোমিটার কাজের জন্য খুলনার মোজাহার এন্টারপ্রাইজের সাথে চুক্তি হয়েছে। যার চুক্তি মুল্য ১৪কোটি টাকা। অবশিষ্ট ১১কিলোমিটার সড়ক সম্প্রসারণ ও চারটি সেতু নির্মাণে  ঠিকাদার নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সড়কটির সকল উন্নয়ন কাজ ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে।