টাঙ্গাইলের কাগমারা শহরের মির্জামাঠ এলাকায় নিহত নওগাঁর রাণীনগর উপজেলা সদরের দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের জঙ্গি আহসান হাবীবের (২৫) লাশ দাফন সম্পন্ন হয়েছে। নিহত আহসান হাবীবকে বুধবার বাদ এশার নামায পর জানাজার নাম শেষে রাতে গ্রামের বাড়ির কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
আহসান হাবীবের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসেন জানান, আমার দুই সন্তান। মেয়ে বড় ও আহসান হাবীব ছোট। আহসান হাবীব রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে পড়ালেখা করতো। আহসান হাবীব গত ২০১৩ সালে যখন সম্মান তৃতীয় বর্ষের ছাত্র তখন সে অস্ত্রসহ রাজশাহী শহরের জিরো পয়েন্টে গ্রেফতার হয়। তাকে জামিনে মুক্ত করার পর থেকে নিরুদ্দেশ হয়ে যায়। আমাদের সঙ্গে দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর কোন প্রকার যোগাযোগ ছিল না। এ ব্যাপারে আমি রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছিলাম। গত মঙ্গলবার আমি র্যাব সূত্রের মাধ্যমে জানতে পারি যে গত শনিবার (৮ অক্টোবর) আহসান হাবীবসহ টাঙ্গাইলের কাগমারা শহরের মির্জামাঠ এলাকায় সকালে জঙ্গি সংগঠনের গোপন বৈঠক চলাকালীন সময়ে র্যাবের অভিযানে নিহত হয়েছে।
রাণীনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শরীফ হোসেন জানান, আমার বড় ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা আলতাফ হোসেন নওগাঁ কোর্টের মুহরি। আমার ভাতিজা আহসান হাবীব খুব মেধাবী ছাত্র ছিল। আমরা কখনো জানতে পারিনি যে আহসান হাবীব নিষিদ্ধ এই জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েছে। গত বুধবার আহসান হাবীবের মরদেহ আমাদের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয় এবং আমাদের পারিবারিক কবরস্থানে ওই দিন রাতে বাদ এশার নামায পর দাফন করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/আরএ