পুঁজিবাজারে ব্যাংকিং খাত ঘিরে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। মঙ্গলবার বাজারে লেনদেনের ক্ষেত্রে সবেচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে এ খাত ঘিরে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্যাংকিং খাতের কোম্পানিগুলোতে আজ লেনদেন হয়েছে ৮৮ কোটি টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় সাড়ে ১৫ শতাংশ। এরপরই ছিল জ্বালানি খাত। এ খাতে লেনদেন হয়েছে ৮০ কোটি টাকা। যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৪ শতাংশেরও বেশি। এদিকে দাম বাড়ার ক্ষেত্রেও বড় অবদান ব্যাংকিং খাতের। প্রধান খাতগুলোর মধ্যে ব্যাংকিং খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারদর বেড়েছে প্রায় ১ শতাংশ।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যাংকগুলো ডিসেম্বর শেষে লভ্যাংশ ঘোষণা করতে শুরু করবে। সাধারণত সব ব্যাংকই মোটামুটি লভ্যাংশ দেয়। কিন্তু সে হিসেবে ব্যাংকগুলোর শেয়ারদর কমই আছে। তাই অনেকে ব্যাংকের শেয়ারের দিকে ঝুঁকছেন। ইতোমধ্যে অনেকে শেয়ার কিনেছেন। তাই ব্যাংকের শেয়ার এক মাস আগে যে অবস্থানে ছিল তা থেকে কিছুটা বেড়ে উঠে এসেছে।
তথ্যে দেখা গেছে, মঙ্গলবার দেশের উভয় শেয়ারবাজারে মূল্যসূচকের উত্থান হয়েছে। একইসঙ্গে বেড়েছে আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ। এদিন ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৮ পয়েন্ট বেড়ে ৪ হাজার ৭১১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর লেনদেন হয়েছে ৫৭১ কোটি ৫৯ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট। যা আগেরদিন ছিল ৪৫৬ কোটি ৭২ লাখ টাকা। এদিন টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ডরিন পাওয়ারের শেয়ার। কোম্পানিটির ১৫ কোটি ৭৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা সিঙ্গার বাংলাদেশের ১৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ১৫ কোটি ৩২ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে তৃতীয় স্থানে থাকা ন্যাশনাল ব্যাংকের শেয়ারে।
এদিকে মঙ্গলবার সিএসই’র সিএসসিএক্স সূচক ৫৫ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৮১২ পয়েন্টে। যা আগের দিন কমেছিল ৬৪ পয়েন্ট। আর মঙ্গলবার সিএসইতে ৩১ কোটি ৬০ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। যা আগের দিন ছিল ২৮ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।