ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী লাল চিনির দাম সাদা চিনির চেয়ে বেশি। তাই বেশি লাভের আশায় চাল ভাঙ্গার মিলে সাদা চিনিতে ক্যামিকেল মিশিয়ে তা লাল করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর এ প্রতারক চক্রের মূল হোতা রাধাকানাই ইউনিয়নের পলাশতলীর বয়ারমারার আ. রশিদ ও জসিম উদ্দিন নামের দুই সহোদর ভাই।
উপজেলার পলাশতলী বাজারে আ. রশিদের চিনির দোকানের পাশে রয়েছে জইন উদ্দিনের রাইস মিল। রাইস মিলে ধান-চাল-মরিচ-হলুদ ভাঙ্গার মেশির রয়েছে। দীর্ঘদিন লাল চিনি ব্যবসায়ী আ. রশিদ ওেই রাইস মিলে চাল ভাঙ্গার মেশিনে সাদা চিনির সঙ্গে ক্যামিকেল (নালী) মিশিয়ে তা লাল করছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাজারে প্রতি কেজি লাল চিনি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকায় আর সাদা চিনি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৭৫ টাকায়। বেশি লাভের আশায় দুই সহোদর সাদা চিনির সঙ্গে ক্যামিকেল মিশিয়ে লাল চিনি তৈরি করে ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছেন। আর এসব চিনি ভালুকা, ত্রিশাল ও কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি হচ্ছে।
রাইস মিল মালিক জইন উদ্দিন বলেন, ‘চিনি ব্যবসায়ী আ. রশিদ তার মিলে দীর্ঘ দিন ধরে লাল চিনির সাথে সাদা চিনি মিশিয়ে বিক্রি করছেন। অতি মুনাফার জন্য তিনি এ কাজ করেছেন।’
অভিযুক্তদের দোকানে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। তারা দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যান।
উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর লেলিন জানান, মিশ্রিত চিনি অবশ্যই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।
ইত্তেফাক/এএসএমইউ