দক্ষিণ কোরীয় প্রেসিডেন্ট পার্ক জিউন হাই ১০ জন জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টাকে পদত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছেন। নীতি নির্ধারণে অনধিকারচর্চা এবং প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ভাল সম্পর্কের জের ধরে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে তাদেরকে সরকারের পক্ষ থেকে এ আদেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে অব্যবস্থানার জের ধরে শনিবার সিউলে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ কর্মসূচি ডাকা হয়েছে। এই উপদেষ্টাদের মধ্যে প্রেসিডেন্টর পুরনো বন্ধু কোই সুন-সিলও রয়েছেন। তিনি কোন সরকারি চাকরি করেন না। তবে প্রেসিডেন্টের রাজনৈতিক বক্তৃতাগুলো সম্পাদনা করে দিতেন বলে স্বীকার করেন পার্ক। তার বিরুদ্ধে সরকারি নীতিনির্ধারণে অনধিকারচর্চা ও প্রেসিডেন্টের সাথে সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতাকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
ফলে অব্যবস্থাপনার অভিযোগ এনে গত সপ্তাহে দেশটিতে পার্কের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। এ ঘটনায় শনিবার রাজধানী সিউলে ব্যাপক বিক্ষোভ পালন করার কথা রয়েছে। এ নিয়ে টেলিভিশনে দেওয়া বক্তৃতায় তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করেন পার্ক। আগামী বছর নির্বাচনের আগেই এ কেলেঙ্কারিতে প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তায় মারাত্মকভাবে ভাটা পড়েছে। ফলে দ্বিতীয় মেয়াদে তার নির্বাচিত হওয়াটা মুশকিল হয়ে পড়ল। ২০১২ সালে পার্ক দেশটির প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করে।
এদিকে কোই গত মাসে দেশটি ছেড়ে জার্মানিতে পাড়ি জমান। দক্ষিণ কোরিয়ার গণমাধ্যমে এক সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, সরকারের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার কারণে কোন ধরনের আর্থিক লাভবান আমি হইনি। তার আইনজীবী বলেছেন, পরিস্থিতির গভীরতা নিয়ে তিনি সচেষ্ট। তবে তার বিরুদ্ধে সমন জারি করা হলে তিনি দেশে ফিরে আসবেন। বিবিসি।
ইত্তেফাক/এসএসএ