সুন্দরগঞ্জের চরাঞ্চলে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত শত শত শিশু

উপজেলার তিস্তা-ব্রহ্মপুত্র নদ-নদীর চরাঞ্চলের শত শত শিশু বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত রয়েছে। সরকার প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা কর্মসূচি হাতে নিয়ে শত ভাগ শিক্ষার্থী উপস্থিতি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, উপবৃত্তি প্রদান, শিশু খাদ্য বিতরণ, বিনামূল্যে পাঠ্যবই সরবরাহ ও শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ব্যবস্থায় বিভিন্ন সহযোগিতা করাসহ অবকাঠামো সৃষ্টি করে আসছে।
 
এদিকে উপজেলার চরাঞ্চলের ভাটি বুড়াইল, কাজিয়াচর, চরিতাবাড়ি, বোচাগাড়ি, পাগলারহাট, পূর্বলালচামারসহ কয়েকটি চরে সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মচারী দায়িত্বে নিয়োজিত থাকলেও সুষ্ঠু তদারকির অভাব ও অভিভাবকদের অসচেতনতার কারণে বিদ্যালয়গুলো শিক্ষার্থী শূন্য হয়ে পড়েছে। কোনো কোনো বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী শূন্য হওয়ায় পাসের হার বৃদ্ধির জন্য এবং বেতন-ভাতা উত্তোলনের কৌশল অবলম্বন করে অন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নিয়ে পরীক্ষা দেওয়া হচ্ছে। পাগলার হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক থাকলেও শিক্ষার্থী শূন্য।
 
এ ছাড়া পূর্ব লালচামার প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকায় ওই অঞ্চলের পাঁচ শতাধিক শিশু শিক্ষার আলো বঞ্চিত হয়ে ক্ষেত-খামারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকায় চরাঞ্চলে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা ভেস্তে যেতে বসেছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসার আনারুল ইসলাম জানান, চরাঞ্চলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কম। সহকারী শিক্ষা অফিসাররা যানবাহন না থাকায় সুষ্ঠু তদারকি করতে পারছেন না।
 
ইত্তেফাক/এএন