বানারীপাড়া উপজেলার ইলুহার ও মলুহার গ্রামের সেতুবন্ধন করেছে দৃষ্টিনন্দন বিশাল আকৃতির একটি বাঁশের সাঁকো। উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নটির দুটি গ্রামের এ সাঁকোর দক্ষিণ পাড় ইলুহার এবং উত্তর পাড়ে মলুহার গ্রাম। তবে সাঁকোটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।
ওই দুই গ্রামকে বিভক্ত করেছে উপজেলার অতি পরিচিত মহিষ কাটাখালী খাল। প্রায় ২শ’ ফুট লম্বা বাঁশের সাঁকোটি দূর থেকে দেখতে দৃষ্টিনন্দন। আর সেজন্যই দুই গ্রামের সেতু বন্ধনেও সাঁকোটি বেশ ভূমিকা রাখছে। গ্রাম দুটির জনসাধারণ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ দৈনন্দিন কাজে এ গ্রাম ও গ্রামে যেতে হয় এ সাঁকোটি পার হয়ে। শুধু তাই নয় বানারীপাড়া উপজেলার পার্শ্ববর্তী স্বরূপকাঠী উপজেলাতেও যেতে এ সাঁকোটি ব্যবহার করতে হয়। বাঁশের এ সাঁকোটি দিয়ে ঝুাঁকি নিয়ে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষর্থীসহ জনসাধারণের পাড় হতে হয়।
বানারীপাড়া ও স্বরূপকাঠি উপজেলায় এ রকম বড় বাঁশের সাঁকো নেই। সাঁকোটি পার হতে মাঝে-মধ্যে দুর্ঘটনাও ঘটে। এছাড়া জনসাধারণসহ কৃষকদের পণ্য পারাপারে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়। ওই এলাকায় আগের চেয়ে এখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। ইলুহার, মহিষ কাটাখালী ও মলুহার খালের ত্রি-মোহনায় এই বিশাল আকৃতির সাঁকোটি। গ্রামের লোকজন স্বেচ্ছাশ্রমে সাঁকোটি তৈরি করেছে। তবে ওই ইউনিয়নবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি একটি ব্রিজ নির্মাণের। ইতিপূর্বে স্থানীয় সাবেক এমপি এবং বর্তমান এমপি ওই সাঁকোর বেহাল অবস্থা দেখেছেন এবং ব্রিজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন।
ইত্তেফাক/এএন