নন্দীগ্রামে সেলুন মালিক হত্যার রহস্য উদঘাটনঃ গ্রেফতার ২

বগুড়ার নন্দীগ্রামে সেলুন মালিক খোরশেদ আলম হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই ঘাতককে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলো, উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের বিষ্ণপুর গ্রামের আজিজার রহমানের পুত্র খোকন আলী (৪২) ও পদ্মপুকুর গ্রামের আহম্মদ আলীর পুত্র আলতাফ হোসেন (৩৫)।
 
পুলিশ খোকন আলী ও আলতাফ হোসেনকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে তাদের নিকট থেকে হত্যাকাণ্ডের স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি গ্রহণ করতে সক্ষম হয়। এরপর তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে। স্ত্রীর পরকীয়ার কারণে তাকে হত্যা করা হয় বলে জানা গেছে।
 
বুধবার থানার এস আই আবু শাহিন কাদির জানান, খোরশেদ আলমের স্ত্রী মইফুল বেগমের সাথে আলতাফ হোসেনের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কের কারণেই খোরশেদ আলমকে ওইদিন রাতে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়।
 
গত ২৯শে অক্টোবর সকালে উপজেলার ভাটরা ইউনিয়নের নাগরকান্দি গ্রামের ধুলির ব্রিজেরপাশে বটগাছের নিচে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। উল্লেখ্য উপজেলার দমদমা গ্রামের আব্দুল্লাহ পোদ্দারের ছেলে খোরশেদ আলম (৩৮) গত ২৮শে অক্টোবর রাতে বাড়ির বাহিরে যায়। এরপর সে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। পরদিন ২৯শে অক্টোবর সকালে পাশ্ববর্তী নাগরকান্দি গ্রামের ধুলির ব্রিজেরপাশে বটগাছের নিচে তার মৃতদেহ লোকজন দেখতে পেয়ে থানা পুলিশকে খবর দেয়। এরপর বগুড়া বি-সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান ও থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে খোরশেদ আলমের মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
 
এ প্রসঙ্গে থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক জানান, ওই বিষয়ে খোরশেদ আলমের বড় ভাই আব্দুর রাজ্জাক পোদ্দার বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই ঘাতককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবং হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মূলত পরকীয়া প্রেমের কারণেই খোরশেদ আলমকে হত্যা করা হয়েছে। আসামীরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে।
 
ইত্তেফাক/এএন