আগৈলঝাড়ায় কালভার্ট নির্মাণ করতে গিয়ে ব্রিজ দেবে যান চলাচল ব্যাহত

আগৈলঝাড়ায় ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদপ্তরের নির্মাণাধীন একটি কালভার্ট নির্মাণ করতে গিয়ে পাশের ব্রিজ দেবে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।
 
সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের দাসেরহাট থেকে সেরাল সড়কের নতুন হাটে উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদপ্তরের আওতায় ২৯ লাখ ৫৭ হাজার টাকা ব্যয়ে কালভার্ট নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। তবে টেন্ডারে কোনো প্রতিষ্ঠান কাজটি পেয়েছে তা জানাতে অনীহা প্রকাশ করেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার শামীমা আক্তার।
 
জানা গেছে, বর্তমানে কাজটি বাস্তবায়ন করছে গৈলা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সদস্য তরিকুল ইসলাম চান। ভায়া ঠিকাদার চান চলতি বছরের মে মাসের মাঝামাঝি বর্ষার সময় কালভার্ট বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেন। কালভার্ট বেইজ ঢালাইয়ের জন্য দীর্ঘদিন মাটি খুঁড়ে রাখায় পাশের এলজিইডির একটি ব্রিজের গোড়ার একাংশ দেবে গিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
 
উপজেলা প্রকৌশল বিভাগ দেবে যাওয়া ব্রিজের গোড়ায় মাটি দিয়ে কোনো রকম মোটরসাইকেল চলাচলের উপযোগী করলেও দু’পাশে কোনো বিপদ চিহ্ন না থাকায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় এমপি আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর বাড়ি যাওয়া-আসার পথে রাতের অন্ধকারে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। শুরু থেকে এ পর্যন্ত ওই স্থানে সাংবাদিকসহ ১৫ জন মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী আহত হয়েছেন। ঠিকাদারের ইচ্ছেমতো কাজ করায় গত ছয় মাসে বেইজ ঢালাইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে জনগুরুত্বপূর্ণ ওই কালভার্টের কাজ।
 
প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার শামীমা আক্তার ফোনে জানান, বর্ষা মৌসুমে কাজ শুরুর কারণে অন্য ব্রিজের ক্ষতি হওয়ায় ঠিকাদারকে গালাগাল করা হয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে ঠিকাদার কালভার্টের কাজ শুরু না করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
 
উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী রাজ কুমার গাইন জানান, উন্নয়ন প্রকল্প ত্বরান্বিত করে ব্রিজ সচল রাখতে প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসকে তার দপ্তর থেকে তিনি ইতোমধ্যেই চিঠি দিয়েছেন।
 
ইত্তেফাক/এএন