রাজশাহী মহানগরীর সেখেরচক বিহারীবাগান এলাকায় পদ্মানদীর পাড় ঘেঁষা সড়কে (ওয়াকওয়ে) ধস নেমেছিল ৩০ অক্টোবর। প্রায় ২০০ মিটার সড়কের পাঁচফুটের মতো দেবে গিয়েছিল। সেই ধস ক্রমশ ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। শুক্রবার ওই এলাকায় ধসে পড়েছে দুইটি বাড়ি। আরো ৫টি বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে।
গত শুক্রবার ওই এলাকায় অটোচালক আলমগীর ও নৈশপ্রহরী ইদ্রিস আলীর বাড়ির কিছু অংশ ধসে পড়েছে। আরো কয়েকটি বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে। এর আগে ৩০ অক্টোবর ওই এলাকায় হঠাৎ ধস দেখা যায়। প্রায় ২০০ মিটার সড়কে ধস নেমে মূল সড়ক থেকে প্রায় পাঁচ ফুট নিচু হয়ে দেবে গেছে। সড়কের পাশের টাইলস বসানো ফুটপাত এবং মাটিতেও দেখা দিয়েছে ফাটল। ধসের কারণে কয়েকটি বৈদ্যুতিক খুঁটি হেলে পড়েছে। দুর্ঘটনা থেকে বাঁচতে এলাকাবাসী নিজ উদ্যোগে সড়কের দুই পাশে বাঁশ দিয়ে বেঁধে দিয়েছেন।
রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেসুর রহমান দাবি করেন, সড়ক ধসের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের সেকশনের কোনো ত্রæটি এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তবে ধারণা হচ্ছে সড়কের নিচে বর্জ্য পচে ধস নেমেছে।
রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল হক জানান, তিন বছর আগে ওই এলাকায় সড়কটি নির্মাণ করা হয়েছে। তখন মাটিতে কোনো সমস্যা ছিল না। রোলার দিয়ে ভালভাবে মাটি মজবুত করে তারপর সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। নিচে আবর্জনা থাকলেও সড়ক দেবে যাওয়ার কথা না। ওই এলাকায় মাটির ইরোসনের কারণে সড়কটি দেবে যেতে পারে।
ইত্তেফাক/ইউবি