ইচ্ছা, আন্তরিকতা, একাগ্রতা, পরিশ্রম ও সততা থাকলে যে কোন বিষয়েই সফলতা সম্ভব। তার উজ্জল দৃষ্টান্ত সফল নারী উদ্যোক্তা আইনুন্নাহার।
মাটির ব্যাংকে জমানো মাত্র ২ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে ও স্বামী খন্দকার ফারুকের অনুপ্রেরণা নিয়ে ২০০৩ সালে আইনুন্নাহার যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অধীনে সেলাই প্রশিক্ষণ নেন। জমানো ২ হাজার টাকা ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের দেয়া একটি সেলাই মেশিন দিয়েই শুরু করেন সেলাই কাজ। তিনি এখন নারী সমাজের সফল নারী উদ্যাক্তার মডেলে পরিনত হয়েছেন।
সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় যুব পুরস্কার-২০১৬ সফল আত্মকর্মী-(নারী কোটায়) যুব পুরস্কার পেয়েছেন আইনুন্নাহার। ঢাকার ওসমানী মিলনায়তনে ১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে সম্মাননা পদক গ্রহন করেন তিনি। সেই সাথে তাকে দেয়া হয় ৪০ হাজার টাকার প্রাইজবন্ড।
তিনি ২০১০ ও ২০১৫ সালে সফল উদ্যোক্তা হিসেবে যুব উন্নয়ন থেকে পুরস্কার ও সম্মাননা, ২০১৩ সালে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা, ময়মনসিংহ জেলা ও ঢাকা বিভাগীয় পর্যায়ে ‘জয়িতা’ পুরস্কার লাভ করেন।
এছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে তিনি উদ্যোক্তা হিসেবে পেয়েছেন বেশ কিছু পুরস্কারের স্বীকৃতি। নারীদের দক্ষ কর্মী ও উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন নারী উন্নয়ন ফোরাম। এর মাধ্যমে নারী অধিকার বিষয়ে নারীদের সচেতন করতে কার্যক্রম শুরু করেছেন।
আইনুন্নাহার ময়মনসিংহের একজন সফল নারী উদ্যোক্তা। ইচ্ছা, আন্তরিকতা, একাগ্রতা, পরিশ্রম ও সততা তাকে আজ উচ্চ শিখরে তুলে নিয়ে এসেছে।
ইত্তেফাক/ইউবি