মেরী স্টোপসে ‘ঔষধের মাধ্যমে মাসিক নিয়মিতকরণ’ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর এবং মেরী স্টোপসবাংলাদেশ-এর নিরাপদ-২ প্রকল্পের যৌথ উদ্যোগে বনানীর ব্যাটন রুশ রেস্টুরেন্টে ’ঔষধের মাধ্যমে মাসিকনিয়মিতকরণ (এমআরএম) বিষয়ক ওরয়িন্টেশেন অনুষ্ঠিত হয়েছে।  সোমবার উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ওয়াহিদ হোসেন।
 
অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর-এর ডা. মোহাম্মদ শরীফ, ডাইরেক্টর (এমসিএইচ-সার্ভিসেস) এবং লাইন ডাইরেক্টর (এমসিআরএএইচ)।
 
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাপসা’র পরিচালক আলতাফ হোসেন, মেরী স্টোপস বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডাইরেক্টর মাসরুরুল ইসলাম,
 
নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের সিনিয়র উপদেষ্টা -এসআরএইচআর ও জন্ডোর মাশফকিা জামান সাতিয়ার এবং নিরাপদ-২ প্রকল্পের কর্মএলাকা থেকে আসা সরকারি প্রতিনিধি বৃন্দ রিজিওনাল সুপারভাইজার (এফপিসিএসটি/কিউএটিবৃন্দ), এমও (এমসিএইচ-এফপি) এবং সহকারি সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ। 
 
 
নিরাপদ-২ (যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং অধকিার, নরিাপদ মাসকি নয়িমতিকরণ ও পরবিার পরকিল্পনা পদ্ধতি নর্বিাচনে নারীর ক্ষমতায়ণ) প্রকল্পটি পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে মেরী স্টোপস এবং তার সহযোগী সংগঠন বাপসা, সুশীলন ও ফুলকি যৌথভাবে রাজকীয় নেদারল্যান্ডস দূতাবাস-এর সহায়তায় চার বছর মেয়াদী প্রকল্প যা ২০১৫ সালরে ডিসেম্বর থকেে বাংলাদেশের ৯টি জেলার ৪০টি উপজেলায়, ৩৬৮টি ইউনয়িনে এবং ৪৮টি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে কাজ করছে।
 
অনুষ্ঠানে অতিথিরা বলেছেন যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা এবং অধিকার (এসআরএইচআর), পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি নির্বাচন, নিরাপদ এমআর ও এমআরএম সেবা নির্বাচনে যেভাবে এটি কাজ করে যাচ্ছে এটা খুবই আশাব্যঞ্জক একটি বিষয়। 
 
উল্লেখ্য ১৯৭৯ সাল থেকে বাংলাদশেে সরকারি বেসরকারি এবং এনজওি পরচিালতি স্বাস্থ্যসবো কন্দ্রেগুলোতে এমআর সেবা দেয়া হচ্ছে। এই এমআর সেবাকে আরও নিরাপদ এবং জটিলতামুক্ত করার জন্য ২০১৩ সালের ২৩ নভেম্বর থেকে আরও সহজ পদ্ধতি বরে করা হয়ছেে যটেি ঔষধরে মাধ্যমে করা হয়। ম্যানুয়াল ভ্যাকুয়াম অ্যাসপরিশেন-এর মাধ্যমে এমআরএম মাসকি নয়িমতিকরণরে আরকেটি পদ্ধতি। তবে এমআরএম পদ্ধতি নারীদের জন্য তুলনামুলকবে সহজ ও নরিাপদ, বশেি গোপনীয় এবং কম পীড়াদায়ক। যেজন্য পরবিার পরকিল্পনা অধদিপ্তর এর জাতীয় কারগিরি কমটিওি এর অনুমোদন দয়িছেে এবং বাস্তবায়নের উদ্যোগ হাতে নিয়েছে।
 
তবে এক্ষেত্রে ঔষধ ফার্মেসি থেকে সরাসরি বা গ্রাম ডাক্তারদের কাছ থেকে সরাসরি ঔষধ নিয়েনিয়মানুযায়ী ডোজ না খ্ওায়ার জন্য পরবর্তীতে যে জটিলতা দেখা দিচ্ছে তা সত্যিই ভাববার বিষয়। তাই এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এমআরএম বিষয়ে প্রশিক্ষণ।
 
উল্লেখ্য এই প্রকল্পের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ২২০ জন সরকারি সেবা প্রদানকারীকে এমআরএম প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মেরী স্টোপস বাংলাদেশ এর জেনারেল ম্যানেজার ইমরুল হাসান খান।
 
ইত্তেফাক/এমএইচ