নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ায় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত জঙ্গি তামিম চৌধুরীর পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষাতেও নিশ্চিত হয়েছে। মঙ্গলবার পরীক্ষার ফলাফল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের কাছে পৌঁছেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের পুলিশের উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মাসুদুর রহমান।
ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া শাখার তথ্য অনুযায়ী, নিহত হওয়ার পর পুলিশ প্রাথমিকভাবে তাকে তামিম চৌধুরী হিসেবে চিহ্নিত করে। তবে তার পরিচয় সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে তার দেহের বিভিন্ন নমুনার ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরে এ নমুনা কানাডায় পাঠানো হয়। সে দেশে অবস্থানরত তামিমের পিতা ও বোনের ডিএনএ নমুনার সঙ্গে তার ডিএনএ নমুনার তুলনামূলক পরীক্ষা করা হয়। সে পরীক্ষায় তামিম চৌধুরী প্রকৃতপক্ষে তামিম চৌধুরীই বলে প্রমাণ মিলেছে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ায় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের এক অভিযানে দুই সহযোগীসহ নিহত হয় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডিয়ান নাগরিক তামিম চৌধুরী। নব্য জেএমবির সামরিক কমান্ডার তামিমের পরিকল্পনাতেই গুলশানের হোলি আর্টিজান রেষ্টুরেন্টে জঙ্গি হামলা করা হয়। ২০১৩ সালের ৫ অক্টোবর তামিম দুবাই হয়ে ঢাকায় আসার পর থেকেই আত্মগোপনে থেকে জঙ্গি কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলো। তামিমের পরিবারের বসবাস করে কানাডায় সদস্যরা উইন্সসরে । তার পৈত্রিক নিবাস সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার দুবাগ ইউনিয়নের বড়গ্রামে। তার দাদার নাম আব্দুল মজিদ চৌধুরী। তামিমের বাবা শফি আহমেদ জাহাজে চাকরি করতেন। মুক্তিযুদ্ধের পরপরই তামিমের বাবা পরিবার নিয়ে কানাডায় পাড়ি জমান। তামিমের জন্ম ও বেড়ে ওঠা সেখানেই।
ইত্তেফাক/এএম।