তুরস্কের উপ-প্রধানমন্ত্রী প্রফেসর ড. নুমান কুরতুলমুশের সঙ্গে সাক্ষাত করলেন তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আল্লামা সিদ্দিকী। মঙ্গলবার উপ-প্রধানমন্ত্রীার কার্যালয়ে দুজন সাক্ষাৎ করেন।
সাক্ষাতকালে রাষ্ট্রদূত উপ-প্রধানমন্ত্রীকে দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে বিরাজমান রাজনৈতিক, বাণিজ্যিক, প্রতিরক্ষা, শিক্ষা এবং সংস্কৃতিসহ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয়ে অবহিত করেন। তিনি তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ানের নেতৃত্বে সাম্প্রতিক সময়ে তুরস্কের অর্জিত লক্ষ্যণীয় অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও উন্নয়নের প্রশংসা করেন।
তিনি ভিশন-২০২১ এবং ভিশন- ২০৪১-এর লক্ষ্যসমূহ বর্ণনাপূর্বক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাস্তবানুগ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক অর্জনসমূহ সম্পর্কে উপ-প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।
উপ-প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের ধারাবাহিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং উন্নয়নকে স্বাগত জানান। বাংলাদেশ এবং তুরস্কের মধ্যে বিদ্যমান উষ্ণ এবং ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বর কথা উল্লেখ করে আগামী দিনগুলোতে দু'দেশের মধ্যে সকল ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, উপ-প্রধানমন্ত্রী নুমান কুরতুলমুশ বাংলাদেশ এবং তুরস্কের মধ্যে বিদ্যমান যৌথ অর্থনৈতিক কমিশন (জে ই সি)-এর তুর্কী পক্ষের চেয়ারম্যান। ২০১৭ সালের প্রথমভাগে দু’দেশের মধ্যে জেইসি’র পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠানের বিষয়ে তিনি নিবিড় আগ্রহ ব্যক্ত করেন।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, জেইসি’র নিয়মিতকরণ দু’দেশের দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্কের সুদৃঢ়করণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এ লক্ষ্যে জেইসি প্রক্রিয়াকে নিয়মিত করার উদ্যেগ নেবার জন্য উপ-প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে সাধুবাদ জানান এবং আংকারাতে পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য পরামর্শ প্রদান করেন। উভয়পক্ষ বাংলাদেশ এবং তুরস্কের মধ্যে অন্যান্য ক্ষেত্রেও সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
ইত্তেফাক/এমএইচ