কালকিনির ২২টি বিদ্যালয়ে ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা

কালকিনি উপজেলায় একশ ৯৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২২টি ঝুঁকিপূর্ণ। বছরের পর বছর এসব বিদ্যালয়ে ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে কোমলমতি শিশুরা।
 
উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের ১৭৫নং নয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার ১৭ বছরের মাথায় ২০১৩ সালে সরকারি হয় এটি। গত দুই বছর ধরে বিদ্যালয় ভবনটির বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে ফাটল। ফলে ঝুঁকি নিয়ে নিয়মিত ক্লাস করছেন শিক্ষর্থীরা। এদিকে একই অবস্থা পাশের একতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েরও। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে পাশের একটি টিনের ঘরে পাঠদান চলায় ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। এছাড়াও উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের কোলচরী স্বস্থাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নতুন চর ভাটবালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ ধুয়াসার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভাউতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢাকী কান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কালিনগর হাওলাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম মাইজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাদীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ জুরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কালাইরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, এনায়েতনগর সরদার কান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চর ঠেঙ্গামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম কমলাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্বচর আলীমাবাদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ভবানী শংকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জজিরা ঘরামীবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লক্ষীপুর পখিরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টুমচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, এনায়েতনগর বাশগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পৌর এলাকার নয়াচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পরিত্যক্ত ভবনের বাইরে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় টিনের চালের ছাপড়ার মধ্যে ক্লাস করছে।
 
নবগ্রাম ইউনিয়নের নয়াকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রবীর কুমার বিশ্বাস জানান, বিদ্যালয়ের করুণ অবস্থা ছবিসহ উপজেলা শিক্ষা অফিসে জানিয়েও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি।
 
কালকিনি উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এসব বিদ্যালয়ের নাম তালিকা করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার পাঠানো হয়েছে। হয়তো শীঘ্রই এসব ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হতে পারে।
 

ইত্তেফাক/এএন