৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তুরাগ দখল ও ভরাট বন্ধের নির্দেশ

তুরাগ নদীতে মাটি ভরাট, অবৈধ দখল ও নির্মাণ কাজ বন্ধে প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। 
 
আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এসব দখল ও ভরাট বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, টঙ্গী ও তুরাগ থানার ওসিকে বলা হয়েছে। 
 
এ ছাড়া এসব দখল প্রক্রিয়ার সঙ্গে কারা জড়িত তাদের নাম ও ঠিকানাসহ তালিকা ২৭ নভেম্বরের মধ্যে আদালতে দাখিল করতে গাজীপুরের জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। 
 
এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর ডিভিশন বেঞ্চ বুধবার এই আদেশ দেন। 
 
গত ৬ নভেম্বর একটি ইংরেজি দৈনিকে ‘টাইম টু ডিক্লেয়ার টুরাগ ডেড’ শিরোনামে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। 
 
শুনানিতে মনজিল মোরসেদ বলেন, ঢাকার আশপাশে চার নদী দখলমুক্ত রাখার সর্বোচ্চ আদালতের রায় কার্যকর হচ্ছে না। যদি রায় প্রশাসন কার্যকর করত তাহলে এভাবে তুরাগ নদী দখল হত না। যারা যেভাবে পারছে সেভাবেই নদী দখলের উৎসবে নেমে পড়েছে। এর প্রতিকার দরকার। শুনানি শেষে হাইকোর্ট ভরাট ও দখল বন্ধে পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি এসব দখল ও ভরাট বন্ধে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চাওয়া হয়।
 
এছাড়া নদী দখল ও ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে তা ভরাটকারীদের নিজ খরচে অপসারণের কেন নির্দেশও দেয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চেয়েছে আদালত।
 
ইত্তেফাক/ইউবি