গৌরনদীতে সরকারি বিপুল পরিমাণ অর্থে নির্মাণাধীন অধিকাংশ ভবনের সামনে প্রাক্কলিত অর্থ বরাদ্দের কোনো সাইনবোর্ড নেই।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদাররা নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী দিয়ে কাজ করছেন। আর তাই নিজেদের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়টি আড়াল করতে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে ভবনগুলোর সামনে প্রাক্কলিত অর্থ বরাদ্দের সাইনবোর্ড পর্যন্ত টাঙাননি।
গৌরনদী উপজেলা চত্বরে এলজিইডির পাঁচ কোটি ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে চারতলা বিশিষ্ট উপজেলা প্রশাসনিক ভবন ও একতলা বিশিষ্ট উপজেলা হলরুম তৈরি করা হচ্ছে। সান্টু ট্রেডার্স নামে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ভবন দুটি নির্মাণ করছে।
জানা গেছে, বছরখানেক আগে ভবন দুটির কাজ শুরু হয়েছে। প্রশাসনিক ভবনের দ্বিতীয়তলার কাজ চলছে। হলরুমের কাজ প্রায় শেষের পথে। কিন্তু ভবন দুটির সামনে আজ পর্যন্ত প্রাক্কলিত অর্থ বরাদ্দের সাইনবোর্ড পর্যন্ত টাঙানো হয়নি। একইভাবে উপজেলা পরিষদ থেকে মাত্র কয়েকশ গজ দূরে পল্লী বিদুত্ অফিসের সামনে একটি দীঘি ভরাট করে এলজিইডির দুই কোটি ৮৬ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে চারতলা বিশিষ্ট গৌরনদী মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন। কাজটি করছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বরিশালের কোহিনুর এন্টারপ্রাইজ। সেখানেও বরাদ্দের সাইনবোর্ড নেই।
সান্টু ট্রেডাসের স্বত্বাধিকারী আলহাজ আলাউদ্দিন ভূইয়া জানান, বরাদ্দপত্রে সাইবোর্ডের কথা উল্লেখ না থাকায় টানাইনি।
গৌরনদী উপজেলা প্রকৌশলী ফজল আহম্মেদ জানান, সাইনবোর্ড টানানোর ব্যাপারে উপর থেকে কোনো নির্দেশ দেয়নি। তাই টানানো হয়নি।
গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহাবুব আলম জানান, বিধি মোতাবেক সরকারি অর্থে নির্মিত ভবনের সামনে দৃশ্যমান স্থানে সাইনবোর্ড থাকতে হবে। তারা কাজটি ঠিক করেননি।
ইত্তেফাক/এএন