জেবি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেছে আরামবাগ ক্রীড়া চক্র ও উত্তর বারিধারা ক্লাব। সোমবার ময়মনসিংহের রফিক উদ্দিন ভুইয়া স্টেডিয়ামে নিজেদের ১৪তম খেলায় ১-১ গোলে ড্র হয় ম্যাচটি।
ম্যাচ শেষে ২০ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের পাঁচ এ অবস্থান আরামবাগের। অন্যদিকে বারিধারা ১০ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে অবস্থান করছে। ১৪ ম্যাচের ১০ টিতেই হেরে ইতোমধ্যে দলটি রেলিগেশনের মধ্যে রয়েছে।
ময়মনসিংহের রফিক উদ্দিন ভুইয়া স্টেডিয়ামে এদিন ৪ মিনিটেই এগিয়ে গিয়েছিল আরামবাগ। ডি-বক্সের ডান প্রান্ত থেকে মনসুরুল আমিনের স্কয়ার পাস থেকে কোনাকুনি শটে বারিধারার জালে বল ঢুকিয়ে গোল উৎসবে মাতে সাদা কালো জার্সির দলটি। ৩৫ মিনিটেই উত্তর বারিধারার সুযোগ ছিল গোল শোধ করার। বক্সের ভেতরে সেন্টু নিশ্চিত গোলের সুযোগ পেয়েও মিস করলেন। আরামবাগের গোলরক্ষক মিতুল হাসান বলটিকে লুফে নিলেন। মিস বারিধারার।
১-০ তে এগিয়ে থেকে অনেকটাই ডিফেন্সিভে চলে যায় সাইফুল বারি টিটু’র শিষ্যরা। সুযোগে বিরতির পর চেপে ধরে সোহেল রানার দল বারিধারা। ক্ষণে ক্ষণে আক্রমণে সফলও হয় দলটি। ৫৩ মিনিটে বক্সের ডান প্রান্ত থেকে একেবারে সাইড লাইন ঘেঁষে মনিরুল আলমের দূর্দান্ত কিক। বক্সের ভেতরে দাড়িয়ে থেকে বুক দিয়ে বল রিসিভ করে সেনেগালের সারা কামারা। পরক্ষনেই বাইসাইকেল কিক। আরামবাগের পাঁচ খেলোয়ারকে ভেদ করে গোল উৎসবে মাতে পাপ্পুর শিষ্যরা।
আন্তর্জাতিক মাপের এ গোলটি প্রশংসাও কুড়িয়েছে বেশ। ধারাভাষ্যকার বলে উঠলেন ২২৭ নম্বর গোলের মধ্যে এটিই এ লিগের সেরা গোল।
ম্যাচটিতে শেষ সুযোগ পায় আরামবাগ ক্রীড়া চক্র। শেষ হাসি হেসে তারাই মাঠ ছাড়তে পারতো। যদি মনসুর আমিনের দুর পাল্লার শটটি কাজে লাগাতে পারত আব্দুল্লাহ হামিদ। ডি-বক্সের ভেতর থেকে ভলি করলেও বলের লাইনে থাকার কারনে গোল রক্ষক রাজিব বল লুফে নেন। মিস মিতুল হাসানের দল আরামবাগের।
IMG0
সংবাদ সম্মেলনে বলেন, এক পয়েন্ট পেয়েই নিজেদেরকে সৌভাগ্যবান মনে করছেন দলের কোচ এ কে এম সাইফুল বারী টিটু। অবশ্য উত্তর বারিধারার কোচ রাশেদ আহমেদ পাপ্পু অকপটেই স্বীকার করেছেন যে, তার দল অনেক গোল মিস করেছে। নইলে তারাই জিততেন। একটি পেনাল্টি হয়েছেল রেফারি দেয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। দ্বিতীয়ার্ধের পুরো ম্যাচ উত্তর বারিধারার নিয়ন্ত্রণে থাকলেও কেন গোল করতে ব্যর্থ হলো এমন প্রশ্নের জবাবে পাপ্পু জানান, ঢাকা থেকে আজ সকালে বাসে ময়মনসিংহে এসেছেন তারা। খেলোয়ারা সবাই ছিল ক্লান্ত।
ইত্তেফাক/এমএইচ