রায়পুরের হাট-বাজারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে কারেন্ট জাল

রায়পুর উপজেলার পৌর শহরসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ক্রয়-বিক্রয় চলছে। সুতার জালের চেয়ে কারেন্ট জালের চাহিদা বেশি থাকায় বিক্রেতারাও সেদিকে ঝুঁকে পড়েছে। এ জাল দিয়ে মেঘনা নদীসহ সংযোগ খালগুলোতে ছোট ইলিশ, পোনা মাছ, মা-মাছসহ বিভিন্ন ধরনের মাছ নিধন করে চলছে। বেশি লাভের আশায় জেলেরা এ নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার করে আসায় মত্স্য সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এদিকে প্রশাসনের অভিযান কম থাকায় রায়পুর উপজেলায় মেঘনা নদীসহ সংযোগ খালে এ নিষিদ্ধ কারেন্ট জালের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে।

 
সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, রায়পুর পৌর শহরের মুড়ি হাটের কয়েকটি দোকানে, উপজেলার চরবংশী, হায়দরগঞ্জ, মোল্লারহাট, মেঘনা পাড় এলাকার প্রতিটি বাজারসহ বিভিন্ন হাটে দীর্ঘদিন ধরে অবাধে কারেন্ট জাল বিক্রি হয়ে আসছে। ক্রেতাদের কাছে কারেন্ট জালের ব্যাপক চাহিদা থাকায় কুমিল্লা সীমান্ত এলাকা থেকে এ সব জাল সংগ্রহ করা হচ্ছে। রায়পুর উপজেলার মেঘনা নদীতে প্রায় সাত হাজার জেলে মাছ ধরার পেশায় কাজ করছে। এদের মধ্যে প্রায় ৭০ ভাগ জেলেই এ কারেন্ট জাল দিয়ে মেঘনা নদী ও সংযোগ খালে মাছ ধরে থাকে।
 
যোগাযোগ করা হলে উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা শিল্পী রানী রায় বলেন, কারেন্ট জাল অবাধে বিক্রির সংবাদ তার নজরে এসেছে। অতিদ্রুত এসব হাট-বাজারে তল্লাশি চালিয়ে অবৈধ কারেন্ট জাল পাওয়া গেলে আটক করা হবে।
 
উপজেলার সিনিয়র মত্স্য কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন বলেন, সম্প্রতি ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে কারেন্ট জালে অগ্নিসংযোগ ও জেলেদের জেল-জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও ইলিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ রক্ষায় মত্স্য বিভাগ অভিযান ও অবৈধ জাল ব্যবহার না করার জন্য জেলেদের সচেতন করতে বিভিন্নভাবে কাজ করছে।
 

ইত্তেফাক/এএন