উপজেলায় চুরির অভিযোগে খুঁটিতে বেঁধে তিন শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের খবর পাওয়া গেছে। পরে দুই হাজার টাকা জরিমানাসহ মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয় থেকে ওই তিন শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছেন প্রধান শিক্ষক। গতকাল মঙ্গলবার সকালের দিকে ধুনট উপজেলার ভাণ্ডারবাড়ি বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
শিশু শিক্ষার্থীরা হলো- ধুনট উপজেলার মরিচতলা গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে ভাণ্ডারবাড়ি সালেহা-জহুরা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র আইয়ুব আলী (১৪), তার ছোট ভাই সপ্তম শ্রেণির ছাত্র জাহিদ হাসান (১২) ও তার চাচাতো ভাই ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ওমর আলী (১১)।
স্থানীয়রা জানান, ধুনট উপজেলার ভুতবাড়ি গ্রামের হবিবর রহমানের ছেলে খায়রুল ইসলাম ভাণ্ডারবাড়ি গ্রামে মুদি ব্যবসা করেন। সোমবার রাতে আইয়ুব, জাহিদ ও ওমর আলী খায়রুলের দোকানে চুরির চেষ্টা চালায়। এসময় চুরির বিষয়টি টের পায় স্থানীয়রা। পরে তিন জনকে আটকের পর ভাণ্ডারবাড়ি বাজারে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করে স্থানীয়রা।
গতকাল সকালে আইয়ুব আলীর বাবা রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে তার দুই ছেলে ও ভাতিজাকে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতনের দৃশ্য দেখে অচেতন হয়ে পড়েন।
ভাণ্ডারবাড়ি ছালেহা-জহুরা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মাদ আলী সিদ্দিকী বলেন, আইয়ুব, জাহিদ ও ওমর আলীকে বিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কারের নোটিস প্রদান করা হয়েছে।
ধুনট থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে তিন শিশুকে উদ্ধার করে অভিভাবকদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
ইত্তেফাক/এএন