সহসা ব্রেক্সিটের পরিকল্পনা নেই তেরেসা প্রশাসনের

ব্রেক্সিটের ব্যাপারে সার্বিক পরিকল্পনাতো বাদই, বরং ছয় মাসেও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়ার কোনো আনুষ্ঠানিক কৌশল নির্ধারণ করেনি ব্রিটেন। গতকাল মঙ্গলবার ব্রিটিশ গণমাধ্যমের প্রকাশিত খবরে এমন তথ্য ফাঁস করা হয়।

 
একটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মন্ত্রি পরিষদ দপ্তরের জন্য ফাঁস হওয়া নথিটি তৈরি করেছে। সেটিই এদিন বিবিসি ও টাইমসে প্রকাশ হয়ে যায়। ফাঁস করা নথি থেকে জানা যায়, সরকারি দপ্তরগুলো ৫শ’র বেশি ব্রেক্সিট সম্পর্কিত প্রকল্পে কাজ করছে। এজন্য ৩০ হাজার অতিরিক্ত সরকারি কর্মীর প্রয়োজন। এদিকে প্রধানমন্ত্রী তেরেসা মে’র দপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এটি সরকারি কোনো গবেষণা প্রতিবেদন নয় এবং নথিতে যে দাবি তোলা হয়েছে আমরা সেটিকে গ্রহণ করতে পারি না। আমরা মূলত চাকরির বিষয়টি প্রাধান্য দিচ্ছি এবং আমরা সফলতা অর্জন করব। ‘ব্রেক্সিট আপডেট’ শীর্ষক এ নথিতে সমালোচনা করে বলা হয়েছে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মে’র প্রবণতা হচ্ছে সরকারকে স্থিতিশীল রাখা। এছাড়া মন্ত্রি পরিষদে মারাত্মক একটি ভাঙন আসতে পারে বলেও নথিতে উল্লেখ করা হয়।
 
দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরিস জনসন, শিল্পমন্ত্রী লিয়াম কক্স এবং বেক্সিট মন্ত্রী ডেভিড ডেভিস ইইউ ত্যাগের বিষয়ে গণভোটের প্রচারণা চালান। তাদের সাথে বাণিজ্য মন্ত্রী ফিলিপ হ্যামন্ড এবং বাণিজ্য সচিব ক্রেগ ক্লার্ক সহমত প্রকাশ করেন। সে সময় মে লিসবন চুক্তির ৫০ ধারা প্রবর্তনের প্রতিশ্রুতি দেন। এর ফলে ইইউ ত্যাগের জন্য দুই বছর আলোচনা চালানোর প্রয়োজনীয়তা ফুড়িয়ে যায়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী তার এই পরিকল্পনা থেকে কিছুটা হলেও সরে আসেন। এদিকে এ মাসের শুরুর দিকে যুক্তরাজ্যের হাইকোর্ট আদেশ জারি করে জানায়, মে’র প্রশাসন পার্লামেন্টর অনুমতি ব্যতীত ইইউ থেকে বাহির হওয়ার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করতে পারবে না।
 
ইত্তেফাক/এএন