'আইটিইউ টেলিকম ওয়ার্ল্ডে' হুয়াওয়ে

থাইল্যান্ডে চলছে ডিজিটাল সমস্যা সমাধানের আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী 'আইটিইউ টেলিকম ওয়ার্ল্ড ২০১৬'। এতে ক্লাউড সম্পর্কে নতুন ধারণা ও অভিজ্ঞতা, জাতীয় ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক, আল্ট্রা ফাস্ট ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন এবং স্মার্ট সব ডিভাইস প্রদর্শনের লক্ষ্যে অংশগ্রহণ করেছে তথ্যপ্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে।
 
'বেটার সুনার, অ্যাকসেলেরেটিং আইসিটি ইনোভেশন টু ইমপ্রুভ লাইভস ফাস্টার' স্লোগান নিয়ে শুরু হওয়া এবারের আয়োজনে হাজির হয়েছেন বিশ্বের ১০০টি দেশের প্রায় ৪ হাজার সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিখাতের নেতারা। সেখানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে রয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমের নেতৃত্বে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ ও নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) অন্যান্য কর্মকর্তারা।
 
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে হুয়াওয়ে জানিয়েছে, ইতোমধ্যে তাদের প্রদর্শনী ঘুরে দেখেছেন থাই রাজকন্যা মহা চাকরি সিরিনধর্ন, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুত, আইটিইউ’র মহাসচিব হাওলিন ঝাও, বিভিন্ন দেশের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা ও তথ্যপ্রযুক্তিখাতের নিয়ন্ত্রকরা এবং এশিয়ার শীর্ষস্থানীয় টেলিকম ক্যারিয়ার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।
 
প্রদর্শনীতে হয়াওয়ে সামগ্রিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নীতিমালার ওপর জোর দিয়ে অর্থনৈতিক রূপান্তর এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে আরও বেশি ডিজিটাল অবকাঠামো নির্মাণে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
 
এবারের টেলিকম ওয়ার্ল্ডে হুয়াওয়ে ইউবিকুইটাস সেন্সরস, ইউবিকুইটাস কানেক্টিভিটি এবং ইউবিকুইটাস ইন্টেলিজেন্স-এর মতো প্রযুক্তি এবং সরকারি কাজে ক্লাউড কম্পিউটিং, শিল্পখাতে ক্লাউড কম্পিউটিং ও ব্যক্তিগত ক্লাউড ব্যবস্থার প্রদর্শনী করে।
 
এ ব্যাপারে হুয়াওয়ের ক্যারিয়ার বিজনেস গ্রুপের প্রেসিডেন্ট জো ঝিলেই বলেন, 'ডাটা সেন্টার এবং ব্রডব্যান্ড নেটওয়ার্ক জাতীয় তথ্য অবকাঠামোর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। 'বেটার কানেক্টেড ওয়ার্ল্ড' অঙ্গীকারে হুয়াওয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা বিশ্বাস করি, উন্নয়নশীল যে কোনো দেশ বা অঞ্চল যারা উন্নয়নের ক্ষেত্রে দ্রুত এগিয়ে যেতে চান তাদের নীতিমালার সাহায্যে, সঠিক মান সমন্বয়ের মাধ্যমে ডিজিটাল অবকাঠামোগত কর্মকাণ্ড শুরু করে দিতে হবে। হুয়াওয়ের ন্যাশনাল ব্রডব্যান্ড সলুশ্যন নিয়ে সফলভাবে কাজ করার মতো দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা রয়েছে। বিশ্বের সব দেশের সাথে ‘ব্রডব্যান্ড ক্যাপাসিটি’ উন্নয়নে কাজ করতে প্রস্তুত আমরা।'
 
ইত্তেফাক/এএম