শুল্ক ফাঁকি : বেনাপোলে কাস্টমস কর্মকর্তা বদলি

ভারত থেকে আমদানিকৃত পণ্য কাস্টম হাউস থেকে ছাড় করানোর সময় শুল্ক ফাঁকির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বুধবার বেনাপোল কাস্টমের যুগ্ম কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমানকে স্ট্র্যান্ড রিলিজ (তাৎক্ষণিকভাবে বদলি) করা হয়েছে। 
 
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের নেতারা বলেন, যশোরের একজন আমদানিকারক ভারত থেকে মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ১৩০ মে.টন গ্রানাইড ও মার্বেল স্টোন আমদানি করেন। কিন্তু পণ্যের চালানটিতে গ্রানাইড ও মার্বেল স্টোনের সঠিক নাম ও সঠিক এইচএচ কোড ব্যবহার না করে ব্যাংক থেকে স্লেট স্টোনের এলসি খোলেন।
 
ভারতীয় ৬টি ট্রাকে পণ্যের চালানটি বেনাপোল বন্দরে প্রবেশের পর বন্দরের ৩১ নম্বর সেডে রাখা হয়। পরে পণ্য চালানটি কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার মোস্তাফিজুর রহমানের নির্দেশে পরীক্ষণ ব্যতিরেখে শুল্কায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। 
 
কাস্টম সূত্রে জানা গেছে, স্লেট স্টোনের শুল্ক কর ৩৭ ভাগ। আর মার্বেল স্টোনের শুল্ক কর ১৫১ ভাগ। সে হিসাবে এ পণ্য চালানে ৪৭ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দেয়া হয়েছে।
 
৯ নভেম্বর চালানটি বন্দর থেকে খালাস নেয়ার সময় গোয়েন্দা সদস্যরা চালানটি সাময়িক আটক করে। ১৩ নভেম্বর দুটি পরীক্ষণ টিম পন্য চালানটি পূনপরীক্ষণ করে স্লেট স্টোনের পরিবর্তে  গ্রানাইড স্টোন ও মার্বেল স্টোন দেখতে পান। রাজস্ব ফাঁকি দেয়ায় সহযোগিতা করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বুধবার সকালে মোস্তাফিজুর রহমানকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়।