নয় বছরের মেহেদী হাসান। এ বয়সে যার লেখাপড়া করে গ্রামের পথে-ঘাটে হৈ হুল্লোড় আর বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা করার কথা। কিন্তু সে কিনা জন্মের পর থেকে এক অজানা রোগে আক্রান্ত। পারে না হাঁটতে। নিজের শক্তিতে পারেনা খেতেও। অজানা রোগ বাসা বেঁধেছে সারা শরীরে। জন্মের পর থেকে এ রোগে আক্রান্ত হয়ে কষ্ট ভোগ করছে সে।
এই দীর্ঘ সময় চলে গেলেও এখন পর্যন্ত কোন চিকিৎসকগণ মেহেদী কি রোগে আক্রান্ত হয়েছে তা নির্ধারণ করতে পারেননি। এদিকে মেহেদীর বাবা হত-দরিদ্র ভ্যান চালক আবুল কালাম আজাদ ও মা গৃহিণী জাহানারা বেগমের ছোট ছেলে মেহেদীকে কত দিন বাঁচিয়ে রাখতে পারবেন তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।
পরিবার থেকে জানা গেছে, মেহেদীর জন্মের পরে শরীর ধবধবে সাদা ছিল। তখন চিকিৎসকের কাছে গেলে 'রক্ত শূন্যতা' বলে জানিয়েছিল। জন্মের ১০-১৫ দিন পর থেকেই মেহেদীর শরীরে হাত-পায়ে ফাটা দেখা দেয়। দিন-দিন মেহেদীর এ রোগের লক্ষণ বাড়তে থাকে। এক পর্যায় শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফেটে যাওয়া শুরু করে। বিভিন্ন চিকিৎসক ও কবিরাজের কাছে গিয়েছেন কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ তার রোগ সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে পারেননি।
মেহেদীর পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, 'স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ বা উপজেলা প্রশাসনের সাথে বারবার যোগাযোগ করেও কোন ভাতা বা আর্থিক সহযোগিতা না পায়নি, পেয়েছে শুধু আশ্বাস। এই অবস্থায় ছেলেকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবানসহ সরকারের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন মেহেদীর মা-বাবা।
ইত্তেফাক/এসএস