কানাডার পার্লামেন্টে ‘বায়ুত্যাগ’ শব্দ ব্যবহার নিয়ে তুমুল বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়েছে। রক্ষণশীলের দলের সংসদ সদস্য মিশেল রেম্পেল বেকারত্ব বিষয়ে কানাডার সরকারের আলবার্টা অঙ্গরাজ্যের প্রতি অবহেলাকে ঘরে ‘বায়ুত্যাগ’ এর সঙ্গে তুলনা করেন।
তার এই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেন গ্রিন পার্টির সংসদ সদস্য এলিজাবেথ মে। রেম্পেলের বক্তব্যকে অসংসদীয় উল্লেখ করে মে বলেন, আমি মিশেলকে এমন একটি শব্দ ব্যবহার করতে শুনেছি যেটা আমি সম্পূর্ণ অসংসদীয় বলে মনে করি। আমার ধারণা তিনি এই বক্তব্যটি প্রত্যাহার করে নেবেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শব্দটি ছিল এফ-এ-আর-টি (ফার্ট) বায়ুত্যাগ!
২০১১ সাল থেকে ক্যালগারি নোস হিল থেকে নির্বাচিত রেম্পেলও অবশ্য ছেড়ে কথা বলেননি। ক্ষুব্ধ ভাষায় তিনি বলেন, আমার সহকর্মী কী সত্যিই এর বিরোধিতা করছেন? আমি আলবার্টার চাকরির বিষয়ে একটি আবেগময় বক্তব্য দিয়েছি আর এর জবাবে একটি রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বের এই কথা বলার ছিল? না, আমি আমার কথা প্রত্যাহার করবো না। এলিজাবেথ তার জবাবে বলেন, আচরণবিধি অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ, এবং এই জায়গায় সম্মান প্রদর্শন করাটাও গুরুত্বপূর্ণ।
বলা বাহুল্য বায়ুত্যাগ বিষয়ে দুই সংসদ সদস্যর বিতর্ক সোশ্যাল মিডিয়া লুফে নিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পের নির্বাচিত হওয়ার বিস্ময়কর ঘটনার প্রেক্ষাপটে এই ঘটনা তুমুল হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে। ইকুইস্পোর্ট থেরাপি নামের একটি টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে দেয়া একটি টুইটার পোস্টে বলা হয়, প্রিয় মার্কিন জনগণ, তোমাদের মনে হয় শুধু তোমাদের সমস্যা আছে? কানাডায় আমরা ‘বায়ুত্যাগ’ শব্দটি নিয়ে বিতর্ক করছি।
কানাডার শীর্ষ সাংবাদিকতা বিষয়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক জশ গ্রিনবার্গ বলেন, সব চোখ যখন ট্রাম্পের মার্কিন রাজনীতি ও সুশীল সমাজ ধ্বংসের দিকে তখন কানাডায় নীরব কিন্তু মারণাত্মক রাজনৈতিক কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটলো। বিবিসি।
ইত্তেফাক/এসএসএ