চার বছর আগে চালা বাবুপুর দিয়াবাড়ী বেইলি ব্রিজ সংলগ্ন ব্রিজের নির্মাণ শেষ হলেও ভোগান্তি শেষ হয়নি মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার পাঁচ গ্রামের মানুষের। ফলে হরিরামপুরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত ব্রিজটিতে উঠতে ব্যবহূত হচ্ছে বাঁশের মই।
হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিস সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় ১৯ লাখ ৭৯ হাজার টাকা ব্যয়ে ২০১২ সালের ২০ জুন অনিক ট্রেডিং কর্পোরেশনের স্বত্বাধিকারী আলী আজম ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শুরু করে ও ২০১৩ সালের ২০ জুন সমাপ্ত করে।
ব্রিজের কাজ সমাপ্ত হলেও এটি পার হতে দুই পাশে রাস্তার সঙ্গে দেওয়া হয়নি কোনো সংযোগ। স্থানীয়রা বাঁশের মই ব্যবহার করে ব্রিজ পারাপার হচ্ছে।
জামালপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে আব্দুল মালেক বিশ্বাস জানান, এই ব্রিজ দিয়ে গোপালপুর, কৌচা, জামালপুর, ষাটিরা ও খোদানাপাড়া গ্রামের বাসিন্দারা যাতায়াত করেন। ৪০ বছর যাবত্ খেয়াঘাট পার হয়ে আমরা এই জায়গা পার হতাম। ব্রিজটি হওয়ায় আনন্দিত হয়েছিলাম। কিন্তু সেই ব্রিজই বেশি ভোগান্তি দিচ্ছে।
স্থানীয় আবদুল হালিম বিশ্বাস জানান, ব্রিজে মই ব্যবহারের কারণে আমরা পাঁচ গ্রামবাসী বিদ্যুত্ সংযোগ নিতে পারছি না। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমস্যা জানিয়েও কোনো সুফল পাচ্ছি না।
উপজেলার চালা ইউপি চেয়ারম্যান শামছুল আলম মিয়া জানান, আমি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ব্রিজটি সম্পর্কে অবগত করেছি, টিআর এর টাকা পেলে আগামী এক মাসের মধ্যে ব্রিজের দু’পাশে মাটি ফেলে চলাচলের উপযোগী করা হবে।
হরিরামপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জানান, আমি কর্মস্থলে নতুন এসেছি। তবে ব্রিজটির সমস্যার কথা জানি। স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানিয়েছি। আশা করি দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।
ইত্তেফাক/এএন