সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসাবে চূড়ান্ত স্বীকৃতি পেল মহাস্থানগড়

বগুড়ার মহাস্থানগড় সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে চূড়ান্ত স্বীকৃতি পেয়েছে। ঢাকায় সফররত  সার্ক কালচারাল সেন্টারের পরিচালক ওয়াসান্থে কোতোয়ালার নেতৃত্বে সংস্থার একটি দল গতকাল এ ঘোষণা চূড়ান্ত করে। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। আগামী বছরের ২১ জানুয়ারি থেকে এ ঘোষণা কার্যকর হবে।

 
২০১৫ সাল থেকে সার্ক কালচারাল সেন্টার সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কোনো একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলকে সার্কের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করে আসছে। সার্কভুক্ত দেশগুলোর ইংরেজি নামের আদ্যাক্ষরের ভিত্তিতে দেশগুলোর স্থান বেছে নেওয়া হচ্ছে। এ জন্য আফগানিস্তানের বামিয়ানকে গত বছর সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়। মহাস্থানগড়কে যে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হবে, তা গত বছরই জানান হয়েছিল। ২১ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই রাজধানীর উদ্বোধন করবেন বলে জানা গেছে।
 
মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি। পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর। এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল। এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে। এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
 
১৮০৮ খ্রিস্টাব্দে বুচানন হামিল্টন প্রথম পুণ্ড্রনগরের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কার করেন। পরবর্তীতে ডন্নেল, কন্নিংহাম এই নগরী সম্পর্কে বলেন। ১৯৩১ সালে মহাস্থানকে প্রাচীন পুণ্ড্রনগরী হিসাবে চিহ্নিত করা হয়।
 

ইত্তেফাক/এএন