পদার্থবিজ্ঞান
মো. আসমাউল বিশ্বাস, প্রভাষক
পরমানু শক্তি গবেষণা
প্রতিষ্ঠান স্কুল এন্ড কলেজ. ঢাকা
জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর
পদার্থের অবস্থা
ব্যাপনঃ কোন মাধ্যমে কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় বস্তুর স্বতঃস্ফূর্ত ও সমভাবে পরিব্যপ্ত হওয়ার প্রক্রিয়াকে ব্যাপন বলে।
নিঃসরণঃ সরু ছিদ্রপথে কোন গ্যাসের অণুসমূহের উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলে বেরিয়ে আসার প্রক্রিয়াকে নিঃসরণ বলে।
ঊর্ধ্বপাতনঃ যদি কঠিন পদার্থকে তাপ দিলে তা তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি গ্যাসে পরিণত হয় এবং এই গ্যাসকে ঠাণ্ডা করলে তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি কঠিনে রূপান্তরিত হয় তবে এ প্রক্রিয়াকে ঊর্ধ্বপাতন বলে।
আন্তঃআণবিক দূরত্বঃ কোন পদার্থের দুটি অণুর মধ্যবর্তী গড় দূরত্বকে আন্তঃআণবিক দূরত্ব বলে।
আন্তঃআণবিক শক্তিঃ কোন পদার্থের দুটি অণুর মধ্যবর্তী গড় আকর্ষণ শক্তিকে আন্তঃআণবিক শক্তি বলে।
সুপ্ততাপঃ যে পরিমাণ তাপশক্তি গ্রহণ অথবা বর্জন করে পদার্থ অবস্থার পরিবর্তন করে কিন্তু তাপমাত্রার কোন পরিবর্তন হয় না ঐ পরিমাণ তাপকে সুপ্ততাপ বলে।
গলনাংকঃ স্বাভাবিক চাপে যে তাপমাত্রায় কোন কঠিন পদার্থে তরলে পরিণত হয় সেই তাপমাত্রাকে সেই পদার্থের গলনাংক বলে।
স্ফুটনাংকঃ স্বাভাবিক চাপে যে তাপমাত্রায় কোন তরল পদার্থ গ্যাসীয় অবস্থা প্রাপ্ত হয় সেই তাপমাত্রাকে সেই পদার্থের স্ফুটনাংক বলে।
CNG: CNG এর পূর্ণ রুপ হল Compressed Natural Gas.
শীতলীকরণঃ তাপ বর্জন করে পদার্থকে শীতল করার পদ্ধতিকে শীতলীকরণ বলে।
কণার গতিতত্ত্বঃ সকল পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণিকাগুলোর গতিশীলতা ব্যাখ্যা করার জন্য যে তত্ত্ব অবতারণা করা হয়েছে তাই কণার গতিতত্ত্ব।
অনুধাবনমূলক
Ìআন্তঃআণবিক দূরত্বের সাথে আন্তঃআণবিক শক্তির সম্পর্কঃ আন্তঃআণবিক দূরত্বের সংজ্ঞা হতে আমরা জানি, কোন পদার্থের দুটি অণুর মধ্যবর্তী গড় দূরত্বকে আন্তঃআণবিক দূরত্ব। আবার, আন্তঃআণবিক শক্তি বলতে পদার্থের দুটি অণুর মধ্যবর্তী গড় আকর্ষণ শক্তি কে বোঝায়।
আন্তঃআণবিক দূরত্ব বাড়লে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ শক্তি কমে যায়। আবার আন্তঃআণবিক দূরত্ব কমলে আন্তঃআণবিক শক্তি বাড়ে। অর্থাত্ একটি কমলে অন্যটি বাড়ে। একটি বাড়লে অন্যটি কমে। যা পরস্পর বিপরীত সম্পর্ক।
Ìআয়োডিন একটা উদ্বায়ী পদার্থঃ উদ্বায়ী পদার্থের সংজ্ঞা হতে আমরা জানি, যে সমস্ত পদার্থকে তাপ দিলে কঠিন থেকে সরাসরি গ্যাসীয় পদার্থে পরিণত হয় এবং শীতলীকরণ করলে সরাসরি গ্যাস হতে কঠিন পদার্থে পরিণত হয় ঐ পদার্থকে উদ্বায়ী পদার্থ বলে।
আয়োডিনের ধর্ম হতে দেখা যায়, কঠিন আয়োডিনকে তাপ দিলে তরলে পরিণত না হয়ে সরাসরি গ্যাসীয় আয়োডিনে পরিণত হয় এবং গ্যাসীয় আয়োডিন শীতল করলে সরাসরি কঠিনে পরিণত হয়।
আয়োডিনের সংজ্ঞা ও ধর্ম হতে বলা যায় যে আয়োডিন একটি উদ্বায়ী পদার্থ।