স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে ধনীদের এগিয়ে আসতে হবে :নাসিম

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম সরকারি হাসপাতালে আধুনিক যন্ত্রপাতি স্থাপন করে গরীব মানুষের বিনামূল্যে চিকিত্সায় সহায়তা করার জন্য বিত্তবান ও শিল্পপতিদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এদেশের গরীব মানুষের সেবায় এদেশেরই ধনাঢ্যদেরকে এগিয়ে আসতে হবে। সীমিত সম্পদের দেশে সরকারের একার পক্ষে ১৬ কোটি মানুষের সেবা নিশ্চিত করা দুরূহ। এক্ষেত্রে ধনাঢ্যরা যন্ত্রপাতি দিয়ে সরকারকে সাহায্য করতে পারে। গতকাল সোমবার দুপুরে কুর্মিটোলা হাসপাতাল পরিদর্শনকালে চিকিত্সক, নার্স, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের সাথে মত বিনিময়কালে তিনি একথা বলেন। বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে সরেজমিনে হাসপাতালগুলোর সেবা কার্যক্রম পরিদর্শনের অংশ হিসাবে তিনি এ হাসপাতালে যান।       ইতোমধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল, জাতীয় কিডনি ইন্সটিটিউট ও মুগদা জেনারেল হাসপাতালের সেবা প্রত্যক্ষ করেছেন মন্ত্রী। বিজয়ের মাসে সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন অব্যাহত থাকবে বলে মোহাম্মদ নাসিম জানান।

 
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এই অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবায় সবচাইতে সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে উন্নীত হবে। স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন আর্থসামাজিক খাতে বর্তমান সরকারের সাফল্যের কারণে ২০১৯ সালেও জনগণ আবার আওয়ামী লীগকে ভোট দিবে বলে তিনি এসময় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কুর্মিটোলা হাসপাতালে আধুনিক চিকিত্সা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। মুগদা জেনারেল হাসপাতালেও আধুনিক সেবা পাচ্ছে রোগীরা। তাই ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভিড় না করে এসব হাসপাতালে চিকিত্সা সেবা নেওয়ার জন্য রোগী ও তাদের স্বজনদের প্রতি আহবান জানানা তিনি।
 
রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে শিগগিরই আইসিইউ ও সিসিইউ চালু করা হবে বলে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি এসে গেছে। অবকাঠামোগত কাজও দ্রুত শেষ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, রাজধানীর ঢাকা ও সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল হাসপাতালে রোগীর অত্যাধিক ভিড় কমাতে জনগণকে নতুন হাসপাতালের দিকে আকৃষ্ট করতে হবে।
 
মন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও বিভাগে গিয়ে সেবা কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন। এসময় তিনি চিকিত্সা নিতে আসা রোগী ও স্বজনদের সাথে কথা বলে সেবার মান সম্পর্কেও খোঁজ নেন। এসময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা আবুল কালাম আজাদ, হাসপাতালের পরিচালক ব্রি. জে. খন্দকার শহীদুল গনি, অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) সাইদুর রহমানসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ইত্তেফাক/এএন