গুণী অভিনেতা খলিলের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ

পুরো নাম খলিল উল্লাহ খান, চলচ্চিত্রে পরিচিতি ছিল খলিল হিসেবেই। গুণী এ চলচ্চিত্রাভিনেতার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ ৭ ডিসেম্বর। এ অভিনেতার মৃত্যুবার্ষিকী পালনে তার পরিবার ও শিল্পী সমিতি বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে আজ বাদ আসর বিএফডিসির মসজিদে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে।
 
বাদ জোহর তার কবরস্থানে পরিবার ও মহল্লাবাসীর পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। বাদ মাগরিব খলিলের নূরজাহান রোডের বাসায় মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।
 
১৯৫৯ সালে সোনার কাজল ছবিতে প্রথম অভিনয় শুরু করেন খলিল। এর আগে বেশ কয়েকটি নাটকেও অভিনয় করেন। খলিল অভিনীত দ্বিতীয় ছবি প্রীত না জানে রীত। ছবিটি ১৯৬৩ সালের ১৩ জানুয়ারি মুক্তি পায়। খলিলের তৃতীয় ছবি ‘সংগম’। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র ‘প্রীত না জানে রীত’, ‘সংগম’, ‘ভাওয়াল সন্ন্যাসী’, ‘ক্যায়সে কঁহু’, ‘জংলি ফুল’, ‘আগুন’, ‘পাগলা রাজা’, ‘মিন্টু আমার নাম’, ‘ওয়াদা’, ‘বিনি সুতার মালা’, ‘বউ কথা কও’, ‘কাজল’।
 
১৯৬৬ সালে এস এম পারভেজ পরিচালিত ‘বেগানা’ সিনেমায় প্রথমবারের মতো খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। এরপর বহু সিনেমায় তাকে খলচরিত্রে দেখা গেছে। ইতিহাসনির্ভর ‘ফকির মজনু শাহ’ সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করেও তিনি ভূয়সী প্রশংসা পান। ১৯৬৫ সালে ‘ভাওয়াল সন্ন্যাসী’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে খলিল আত্মপ্রকাশ করেন পরিচালক হিসেবে। ‘সিপাহী’ ও ‘এই ঘর এই সংসার’ নামে দুটি সিনেমার প্রযোজনাও করেছেন তিনি।
 
শহীদুল্লাহ কায়সারের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ধারাবাহিক নাটক সংশপ্তকে তার অভিনয়ে ‘মিয়ার বেটা’ চরিত্র দর্শক নন্দিত হয়। ‘টাকা আমার চাই, নইলে জমি’ ফেলু মিয়ার (মিয়ার বেটা) এই সংলাপ তখন ছিল ব্যাপক আলোচিত। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাবেক এ সভাপতিকে ২০১২ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়।
 
ইত্তেফাক/এমএআর