সুইডেন-বাংলাদেশ নোবেল মেমোরিয়াল কুইজ ২০১৬- এর গ্র্যান্ড ফিনালেতে বিজয়ী হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিস্বিক দল। শনিবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত বিজয়ী দলের সদস্যরা হলেন শামীম সোহানি রিমন, ওয়াহিদ কায়সার ও মুনজের তালুকদার।
ফাইনালে প্রতিযোগিতা করা অন্য তিনটি দল- বুয়েটের বুয়েট অর্কস, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির এনএসইউ ক্রিসপ আর এবং ইসলামি ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির আইইউটি স্টার্ককে হারিয়েছে বিজয়ী দল। জয়ের পুরস্কার হিসেবে প্রাতিস্বিক দলের সদস্যরা সম্পূর্ণ বিনাখরচে সুইডেন ঘুরে আসার সুযোগের পাশাপাশি পাচ্ছে বিখ্যাত সব সুইডিশ প্রতিষ্ঠান এবং সুইডেনের দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখার সুযোগ। কুইজে আলফ্রেড নোবেল, নোবেল প্রাইজ, নোবেল বিজয়ী এবং সুইডেন দেশের ওপর আলোকপাত করা হয়।
সুইডেন-বাংলাদেশ নোবেল মেমোরিয়াল কুইজ ২০১৬- তে বাংলাদেশের মানুষ বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্ভাবন ও এন্টারপ্রাইজের দেশ হিসেবে সুইডেন এবং এদেশে যেসব সুইডিশ প্রতিষ্ঠান কাজ করছে তাদের ওপর জোর দেয়া হয়। আরলা, এরিকসন ও টেট্রা পার্কের মতো স্বনামধন্য সব প্রতিষ্ঠান সরাসরি বাংলাদেশে কাজ করছে। ভলভো ও স্ক্যানিয়ার মতো সুইডিশ প্রতিষ্ঠানের পণ্য ও সেবা এদেশে অত্যন্ত জনপ্রিয়।
গ্র্যান্ড ফিনালেতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে সুইডেনের রাষ্ট্রদূত ইয়োহান ফ্রসিলে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম। এছাড়াও অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এ প্রচারণার স্পন্সর এবিবি, এরিকসন, আরলা, টেট্রা পার্ক, ভলভো, স্ক্যানিয়া ও আইকেইএ’র প্রতিনিধিগণ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, ‘ব্যবসা খাত, সংস্কৃতি এবং গবেষণা খাতে বাংলাদেশ ও সুইডেনের সম্পর্ক আরও গভীর হচ্ছে। মহান সুইডিশ শিল্পপতি আলফ্রেড নোবেলের মতো বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের একটি প্রজন্মের মধ্যে এন্টারপ্রাইজ ও উদ্ভাবন নিয়ে প্রবল আগ্রহ রয়েছে। এ নোবেল কুইজের সাফল্য তাই প্রমাণ করে। তাদের প্রবল আগ্রহ ও জ্ঞানের গভীরতা দেখে আমি বিস্ময়ে অভিভূত। এরাই আমাদের ভবিষ্যতে সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
এ বছর প্রতিযোগিতা কয়েকটি ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। গত নভেম্বর ৩০টির বেশি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এ নিয়ে প্রচারণা অনুষ্ঠিত হয়। সর্বমোট ৬শ’টি দল এ প্রতিযোগিতার জন্য নিবন্ধন করে এবং এর মধ্যে ১শ’টি দল প্রতিযোগিতার প্রধান পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। এর মধ্যে চারটি দল গ্রান্ড ফিনালেতে পৌঁছায়। গত বছর প্রথমবারের মতো এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি দল বিজয়ী হয়।
ইত্তেফাক/এসএসএ