উপজেলায় তিতাস নদীর ওপর নির্মিত শাহবাজপুর সেতুটি যানবাহন চলাচলে প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এই সেতুর অন্তত আট থেকে ১০টি স্থানে রেলিং ভেঙে গেছে। ফাটল ধরেছে একাধিক স্থানে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বাস ও ট্রাকের মতো ভারী যানবাহন সেতুতে উঠলেই কাঁপতে থাকে। ১৯৬৩-৬৪ সালে স্থাপিত শাহবাজপুর সেতুটির দুই পাশে একইসঙ্গে দুটি গাড়ি ওঠানোর ব্যাপারে নিষেধ থাকলেও চালকরা সে নিয়ম মানছেন না। সেতুর উত্তর-পশ্চিম দিকে মেরামতকৃত বেইলি সেতুর আগে-পরে রয়েছে ভাঙা। উঠে গেছে পিচ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সওজের সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে সেতুটির মাঝের স্প্যানের গার্ডারে ফাটল দেখা দেয়। পরে সওজের প্রধান প্রকৌশলী একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। টেকনিক্যাল কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ২০১৫ সালের ২৮ আগস্ট মাঝখানের স্প্যানে দুইশ ফুট বেইলি সেতু করে দুই লেনে স্থাপন করা হয়। এতেও যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি রয়ে গেছে।
সওজের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আমির হোসাইন জানান, ‘ব্রিজের দুই পাশে নোটিস দেওয়া হয়েছে। সেতুর রেলিংগুলো খুব দুর্বল। ট্রাক বা বাস ধাক্কা লাগলে রেলিং ভেঙে পড়তে পারে।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু এহতেশাম রাশেদ বলেন, ‘এখানে একটি নতুন সেতু নির্মাণ ও পুরনো সেতু মেরামত করতে ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আশা করি জানুয়ারি নাগাদ কাজ শুরু হবে। এ সেতুর মোট দৈর্ঘ্য ২১৯ দশমিক ৪৫৬ মিটার ও প্রস্থ ১৪ মিটার। সেতুটিতে মোট ছয়টি স্প্যান এবং ৮০টি পাইলের ওপর নির্মিত হবে। নতুন সেতুতে হালকা যান চলাচলের জন্য আলাদা লেনের ব্যবস্থা থাকবে।
ইত্তেফাক/এএন