৪৭৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করছে ভারত

মঈন আলীর সেঞ্চুরির (১৪৬) পর দ্বিতীয় দিনে লিয়াম ডসনের অপরাজিত ৬৬ ও টেল এন্ডার আদিল রশিদের ৬০ রানের সুবাদে ভারতের বিপক্ষে চেন্নাই টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪৭৭ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে সফরকারী ইংল্যান্ড।
 
জবাবে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় দিন শেষে বিনা উইকেটে ৬০ রান তুলেছে স্বাগতিক ভারত। তাই ১০ উইকেট হাতে নিয়ে এখনো ৪১৭ রানে পিছিয়ে আছে টিম ইন্ডিয়া।
 
সিরিজের পঞ্চম ও শেষ টেস্টের প্রথম দিনই সেঞ্চুরির স্বাদ নেন মঈন। দিন শেষে ১২০ রানে অপরাজিতও ছিলেন তিনি। ৫ রান নিয়ে তার সঙ্গী ছিলেন বেন স্টোকস। দ্বিতীয় দিন আর মাত্র ১ রান যোগ করে ভারতের রবীচন্দ্রন অশ্বিনের শিকার হন স্টোকস। এই নিয়ে এই সিরিজে পাঁচবার অশ্বিনের শিকার হলেন স্টোকস।
 
স্টোকসের পর উইকেটে এসে বেশিক্ষণ থাকতে পারেননি জশ বাটলারও। ভারতের পেসার ইশান্ত শর্মার দ্বিতীয় শিকার হবার আগে ৫ রান করেন বাটলার। এরপর দিনের প্রথম সেশনে মঈনকে হারায় ইংল্যান্ড। ১৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ২৬২ বলে ১৪৬ রান করে আউট হন মঈন। ফলে ৭ উইকেটে ৩২১ রানে পরিণত হয় ইংলিশরা।
 
সেখান থেকে অষ্টম উইকেটে জুটি বেঁধে দলের স্কোর সাড়ে ৪শ’ পার করেন প্রথম টেস্ট খেলতে নামা ডসন ও আদিল রশিদ। জুটিতে ১০৮ রান যোগ করেন তারা। যা এ এই মাঠে অষ্টম উইকেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের জুটি। এই জুটি গড়তে গিয়ে দু’জনই স্বাদ পেয়েছেন হাফ-সেঞ্চুরির। ডসনের প্রথম হাফ-সেঞ্চুরি হলেও, টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেন রশিদ। শেষ পর্যন্ত রশিদ ৬০ রানে বিদায় নিলেও, ইংল্যান্ডের ইনিংস শেষেও ৬৬ রানে অপরাজিত থেকে যান ডসন। তাতে ইংল্যান্ডের হয়ে অভিষেক ম্যাচে আট নম্বরে খেলতে নেমে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংস বনে যায় এটি। এর আগেরটি ছিলো ডেভিড বেয়ারস্টোর। ১৯৭৯ সালে ভারতের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচে আট নম্বরে খেলতে নেমে ৫৯ রান করেছিলেন বেয়ারস্টো। আর ইংল্যান্ডকে ৪৭৭ রানে আটকে দিতে গিয়ে ভারতের জাদেজা ৩টি, ইশান্ত ও উমেশ ২টি করে উইকেট নেন।
 
দিনের শেষ ভাগে ২০ ওভার ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে বিনা উইকেটে ৬০ রান তুলেছে ভারত। দুই ওপেনার পার্থিব প্যাটেল ২৮ ও লোকেশ রাহুল ৩০ রানে অপরাজিত আছেন।
 
সংক্ষিপ্ত স্কোর (দ্বিতীয় দিন শেষে) :
 
ইংল্যান্ড : ৪৭৭/১০, ১৫৭.২ ওভার (মঈন ১৪৬, রুট ৮৮, জাদেজা ৩/১০৬)।
ভারত : ৬০/০, ২০ ওভার (রাহুল ৩০*, প্যাটেল ২৮*)।
 
ইত্তেফাক/এমএইচ