জামালপুরে পুলিশ হেফাজতে আসামির মৃত্যু

 
জামালপুরের মেলান্দহ থানা পুলিশ হেফাজতে ফুলকোচা ইউনিয়নের পাহাড়ি পটল গ্রামের তার রেহান আলীর পুত্র সোহেল রানা (৩২) নামের এক আসামি নির্যাতনের শিকার হয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন পরিবারের লোকজন। পুলিশের দাবী স্বাভাবিক মৃত্যু।
 
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ১৮ ডিসেম্বর রবিবার বিকাল পাঁচটার দিকে মেলান্দহ থানার পুলিশের একটি টহল দল অভিযান চালিয়ে ২৫টি ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ৫ গ্রাম হেরোইনসহ সোহেল রানাকে গ্রেফতার করে। একই সময় পশ্চিম মালঞ্চ গ্রামের বাসিন্দা হযরত আলী মগার ছেলে জাহিদ হাসান (২৪) এবং শেরপুর কামারের চর গ্রামের আব্দুল্লাহ আল কাফির ছেলে জাকারিয়া জনি (২২) কে  মাদক সেবন অবস্থায়  গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।
 
সন্ধ্যা সাতটার দিকে সোহেল রানা থানা হেফাজতে থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়ে। পুলিশ তাকে তাৎক্ষনিকভাবে চিকিৎসার জন্য মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। সোমবার বেলা ১২টার দিকে পুলিশ লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
 
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, গ্রেফতারের পর আনুমানিক রাত দশটার দিকে খবর পাই  সোহেল রানা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এরপরেই শুনতে পাই  সোহেলের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের দাবি  সোহেলকে সুস্থ অবস্থায় গ্রেফতারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কিভাবে  সে মারা যায়।
 
তাদের অভিযোগ পুলিশের নির্যাতনের শিকার হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। এ ব্যাপারে  মেলান্দহ থানায় একটি মাদকদ্রব্য, অপরটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
 
অপর দিকে পুলিশ জাহিদা হাসান ও জাকারিয়া জনির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়েরের পর জেল হাজতে  প্রেরণ করেছে।
 
ইত্তেফাক/আরএ