জীবনদাসকাঠি স্কুলভবন জরাজীর্ণ ঝুঁকি নিয়ে চলে পাঠদান

ঝালকাঠির রাজাপুরের জীবনদাসকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনটি জরাজীর্ণ। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। তারপর ঝুঁকি নিয়েই পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

 
সরেজমিনে দেখা গেছে, তিনটি শ্রেণিকক্ষ ও একটি শিক্ষক মিলনায়তনসহ চারটি কক্ষ বিশিষ্ট স্কুল ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। ভবনটির ছাদের নীচের অংশের পলেস্তরা প্রায়ই খসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর গায়ে-মাথায় পড়ছে। পলেস্তরা খসে গিয়ে প্রতিটি কক্ষের ও বারান্দার ছাদের রড বেরিয়ে গেছে। যে কোনো সময় ছাদ ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
 
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক জানান, ১৯২৪ইং সালে বিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাকাল থেকে অতি সুনামের সাথে শিক্ষা কার্যক্রম চলে আসছে। বর্তমান এই ভবনটি মাত্র চার লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল। ভবনটি অনেক পুরাতন হওয়ায় চারটি কক্ষ ও বারান্দার ছাদের নীচের অংশসহ বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায়ই পলেস্তরা খসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর গায়-মাথায় পড়ছে। বর্তমানে বিদ্যালয়ে চারজন দক্ষ শিক্ষক একশ ২০ জন শিক্ষার্থীকে আতঙ্কের মধ্যে থেকে পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন।
 
বর্ষা মৌসুমে ছাদ ধসে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তারপর উপায় না থাকায় পাঠদান চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বিদ্যালয়টির এই জরাজীর্ণ অবস্থার বিষয়টি  স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়েছে।
 
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান, ‘ওই ভবনটিসহ উপজেলার মোট ৪৮টি বিদ্যালয়ের নতুন ভবন চেয়ে ঢাকা অফিসে আবেদন করেছি। সেখানে এই এলাকার সংসদ সদস্যের ডিউ লেটার দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ইত্তেফাক/এএন