উপজেলার বিভিন্ন স্থানে চলছে অবাধে বৃক্ষ নিধন। পাকা সড়কের ধারে বৃক্ষগুলো প্রায়ই কেটে নিয়ে যাচ্ছে দুর্বৃত্তরা। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সহযোগিতায় বনায়ন/বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে শিবপুর চারিগ্রাম সড়কে বৃক্ষরোপণ করা হয় প্রায় ১৬ বছর আগে। এ সমস্ত গাছের মালিক সরকার এবং প্রশিকার নবজীবন পুরুষ ও মহিলা সমিতি। ইতোপূর্বে শিবপুর রাস্তা থেকে লাখ লাখ টাকার গাছ কেটে চুরি করে নেওয়ার সময় পুলিশ অবৈধভাবে কাটা গাছগুলো উদ্ধার করে এসিল্যান্ড অফিসের সামনে এবং ইউএনও অফিসের পাশে জমা রাখে। অথচ ওখান থেকেই ওই মূল্যবান গাছগুলো চুরি হয়ে যায়।
গাড়াদিয়া বাসস্ট্যান্ডের কাছ থেকে দুইটি রেন্ডি ও মেহগিনির লক্ষাধিক টাকার গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ইএনওকে জানানো হয়েছে বলে জানালেন লোকজন। একইভাবে সিংগাইর বাসস্ট্যান্ড থেকে তিনটি মেহগনি এবং ইপিল ইপিল গাছ কেটে নিয়ে গেছে।
বানিয়ারা খাল পাড়া সমিতির প্রশিকা সভানেত্রী রোকেয়া বেগম জানান, রামনগর থেকে বাটি এবং রাজঘাট সড়কে তিনশ গাছ রোপণ করা ছিল। সব গাছ আগেই কেটে নেওয়া হয়েছে। এখন বাকি যেগুলো রয়েছে তাও কাটা হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এসব বিষয় আমার জানা নেই এবং গাছ কাটার কথা কেউ আমাকে বলেনি। তবে জব্দ করা গাছগুলো হয়তো রাতের আঁধারে কেউ এখান থেকে নিয়ে গেছে।
ইত্তেফাক/এএন