লোহাগড়া শালনগর ইউনিয়নে শুকনা মৌসুমেও মধুমতি নদীর ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। পানি কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। ফলে উপজেলার নয় গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ আতঙ্কে রয়েছে। ভাঙন এলাকার আমিনুর মোল্যা বলেন, শুকনা মৌসুমে যেভাবে নদী ভাঙছে যদি সরকার কোনো পদক্ষেপ না নেয় তাহলে এবার হয়তো আবার বাড়িঘর হারাতে হবে। শিয়রবর বাজারের প্রবীণ ব্যবসায়ী নারায়ণ চৌধুরী বলেন, ১৯৭৫ সাল থেকে এ বাজারে ব্যবসা করে আসছি। শুরুতে বাজারটি প্রায় ২০ একর এলাকা জুড়ে ছিল। তত্কালীন সময়ে কয়েকটি জেলার মধ্যে এ বাজারটি ছিল অন্যতম। মধুমতি নদীর অব্যাহত ভাঙনে এখন বাজারটি সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে।
শালনগর ইউপি চেয়ারম্যান খান তসরুল ইসলাম বলেন, আমার ইউনিয়নের নয়টি গ্রাম নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে। বহু পরিবার বসতভিটা হারিয়ে এখন নিঃস্ব। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এসব জনপদ বিলীন হয়ে যাবে। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। ইতিমধ্যে ভাঙন এলাকার মানুষ খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকার চাল যাতে পেতে পারে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানদের অবগত করেছি। নড়াইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহনেওয়াজ তালুকদার বলেন, ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছি। ইতিপূর্বে ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর পাঠিয়েছি।
ইত্তেফাক/এএন