দুটি স্পিডবোটের মুখোমুখি সংঘর্ষে মায়ের পর রবিবার বিকালে নিখোঁজ মেয়ে শাহেরি আক্তারের (১৩) মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
নিখোঁজের দুইদিন পর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার কড়ইতলা নদীতে মরদেহ ভেসে উঠলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করেন। শাহেরি বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. গোলাম সরোয়ার জাহানের কন্যা।
রাতের অন্ধকারে অনুমতিবিহীন যাত্রী পরিবহন করায় স্পিডবোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
সাহেবেরহাট বন্দর থানার ওসি মাহাবুবুল আলম জানান, রবিবার সকালে কড়ইতলা নদীতে শাহেরির মৃতদেহ ভেসে উঠলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেন।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে কড়ইতলা নদীতে যাত্রীবাহী দুটি স্পিডবোটের মুখোমুখি সংঘর্ষে ডা. গোলাম সরোয়ারের স্ত্রী নেশপতি বেগম (৩৫) নিহত ও কন্যা শাহেরি নিখোঁজের ঘটনায় শনিবার আটজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলার আসামি বরিশাল স্পিডবোট মালিক সমিতির সভাপতি কালাম শরীফ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামানকে শনিবার রাতে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। রবিবার দুপুরে গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।
ইত্তেফাক/ইউবি